বিয়ে বাড়িতে গান বাজনা সম্পর্কে?
কোন বিয়ে বাড়িতে যদি গান বাজনা বাজানো হয় এবং সেখানে সমাজের কোন মানুষ বাঁধা না দেয় তাহলে কি সবাই গুনাহগার হবে?
2 Answers
রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, "সেই সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ। তোমরা অবশ্যই সৎকাজের আদেশ দেবে ও অসৎকাজে নিষেধ করবে। অন্যথায় অচিরেই আল্লাহ তোমাদের শাস্তি দেবেন। তখন তোমরা দোয়া করবে কিন্তু তা কবুল করা হবে না।" (তিরমিযি) এর দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, উপরিউক্ত সমাজের সবাই গুনাহগার হবে এবং তাদের খানা খাওয়া-ও জায়েজ হবে না।
প্রিয় প্রশ্নকর্তা! আপনি একটি সুন্দর অর্থবহ প্রশ্ন করেছেন।আমাদের সমাজে এ ধরনের ঘটনা কেমন যেন একটি নিত্য নৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে গেছে। তাই এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলাম- পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘তোমাদের মধ্য থেকে এমন একটি দল থাকা উচিত, যারা কল্যাণের দিকে আহবান করবে, ভাল কাজের আদেশ দিবে এবং খারাপ কাজ থেকে নিষেধ করবে। আর তারাই সফলকাম’ (আলে ইমরান, আয়াত১০৪) হাসীসে স্পষ্ট এসেছে, নবীজি সা. ইরশাদ করেন। তোমাদের কেউ অন্যায় দেখলে সে যেন হাত দ্বারা বাঁধা দেয়। যদি তাতে সক্ষম না হয় তাহলে যেন মুখে প্রতিবাদ করেন। যদি তাতেও সক্ষম না হয় তাহলে যেন মনে মনে ঘৃণা করে। তবে এটি ঈমানের সর্বনিম্ন স্তর।–সহীহ মুসলিম, হা. নং ৪৯ উক্ত হাদীসের আলোকে একথা বলা যে সমাজ পতি হোক বা অন্য কেউ গোনাহ কাজ দেখা মাত্রয় বাঁধা দেওয়া বা মুখে প্রতিবাদ করা। কিংবা মনে মনে ঘৃনা করা। সুতরাং কেউ যেহেতু বাঁধা দেয় নি তাই সাবাই দুর্বল ঈমানের অধিকারী বলে গন্য হবেন। তবে নেত্রীস্থানীয় হোক বা অন্য কেউ গুনাহের স্থানে অংশ গ্রহণ কারো জন্যই বৈধ নয়। যারা সেখানে অংশ গ্রহণ করে খানায় খেয়েছেন তারা গুনাহগার হবেন। কারণ এটি কেমন যেন গুনাহের সহযোগীতা বা গুনাহকে সমর্থন দান। ধন্যবাদ। উল্লেখ্য, কুরআন ও হাদীসের ভাষ্য যে বিষয়ে স্পষ্ট সেখানে ইজমা ও কিয়াস নিষ্প্রয়োজ মনে হওয়ায় উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকলাম। ধন্যবাদ।