1 Answers
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহান জাতীয় সংসদের নির্বাচিত প্রতিনিধিগণের কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতির মাধ্যমে কোরাম পূর্ণ হয়। এর কম হলে কোরাম পূর্ণ হবে না। কোরাম সংকট হলে অধিবেশনে সভাপতিত্বকারীর তথা স্পীকারের দৃষ্টি আকর্ষন করতে হয়। যদি কোন সদস্য দৃষ্টি আকর্ষন করেন তবে স্পীকার কোরাম পূর্ণ হওয়ার/করার জন্য ৫ মিনিট ধরে ঘন্টা বাজানোর নির্দেশ দেবেন। এই সময়ের মধ্যে কোরাম পূর্ণ না হলে স্পীকার অধিবেশন মূলতবি রাখবেন।
আমাদের জাতীয় সংসদের ৩০০ সদস্যের বিপরীতে ৬০ জনে যদি কোরাম পূর্ণ হয় তাহলে গাণিতিক হিসাব অনুসারে দেখা যায় তা ২০%। কিন্তু ৭ সদস্যের সভায় কোরাম কতজনে পূর্ণ হবে? ৭ এর ২০% = ১.৪০ বা ধরে নিচ্ছে ২। না এটা ভুল, ৭ সদস্যের কমিটিতে কোরাম পূর্ণ হওয়ার জন্য অবশ্যই সর্বনিম্ন সদস্য হতে হবে ৪ জন। আমেরিকান ট্রান্সলেটর এসোসিয়েশন এর মতে ১৩ সদস্যের সভার কোরাম পূর্ণ হবে ৭ সদস্যের দ্বারা এবং ৪০ সদস্যের সভার কোরাম পূর্ণ হবে ২১ সদস্য দ্বারা।
জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত ৩০০ প্রতিনিধির ভোটেই নির্বাচিত হন মহান জাতীয় সংসদের স্পীকার। নির্বাচন পরবর্তি সময়ে বিগত সংসদের স্পীকার নতুন সংসদের স্পীকারের দায়িত্ব পালন করেন এবং নতুন স্পীকার নির্বাচন করেন। স্পীকার নিজে কোন ভোট দিতে পারেন না। তবে যদি কোন ক্ষেত্রে দুই পক্ষের প্রাপ্ত ভোট সমান হয় তখন স্পীকার ভোট দিতে পারেন এবং তার ভোটটি যে পক্ষ পায় সে পক্ষই জয়ী হয়। স্পীকার প্রদত্ত ঐ ভোটকে ইংরেজিতে বলে Casting Vote বা বাংলায় নির্ণায়ক ভোট বা চুড়ান্ত ভোট।
ধন্যবাদ