3 Answers
আমি এই দলের একজন কর্মী। প্রথম কথা হলো,দলটির সম্পর্কে জানতে হলে এদের বই,লেখাগুলো আপনাকে আগে পড়তে হবে ও বিবেক দ্বারা বিচার করতে হবে। তাহলে আপনি নিজেই সত্যতা খুজে পাবেন।
- তারা তো ধর্মের নামে ওহাবিদের দ্বারা পরিচালিত সংগঠন। তারা ধমের নামে নানা রকম মিথ্যা চার ছড়াচ্ছে। হেজবুত তাওহীদ মানের তাওহীদের হেফাজত কারি এখানে তাঁদের নাম করনই কুরআন অস্বীকার করে কারন যেখানে তাওহীদ আছে সেখানে রিসালাত থাকতে হবে। এবং তাঁদের নামাজ পড়ার যে সব নিয়ম সেগুলা নতুন নতুন স্টাইলে তাঁরা নামাজ পড়ে।। ওই সংগঠন এর ইমাম মহিলা কে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে আর বলছে যে মহিলা নিয়ে নাকি বাহিরে বের হওয়া ইসলামেই আছে। একজন সাধারন মানুষ ও তাঁদের ভন্ডামি ধরতে পারবে।
টাঙ্গাইল জেলার করটিয়ার পন্নী পরিবারের সন্তান জনাব বায়জীদ খান পন্নী। জেনারেল শিক্ষায় শিক্ষিত বায়জীদ সাহেব ১৯৯৫ সনে হেযবুত তওহীদ নামক দলটির সূচনা করেন।
ইসলাম সম্পর্কে একাডেমিক পড়াশোনা না থাকায় নিজ থেকে বাংলা ও ইংরেজী বই পড়ে তার মাঝে ইসলাম সম্পর্কে একটি ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়। নিজ থেকেই কিছু একটা করার তাগিদে একটি নতুন মতবাদ চালু করেন।
তার সাথে ইসলাম বিরোধী কোন বর্হিশক্তির হাত আছে কি না? তা অবশ্যই সন্দেহের বিষয়।
খুব অল্প সময়ে উদ্ভট সব থিউরী দিয়ে বেশ কিছু ভক্ত যুগিয়ে ফেলেন পন্নী সাহেব।
ইসলামের মৌলিক বিধানাবলীর নতুন সব অপব্যাখ্যা করে পুরো দ্বীনটাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে রাখার দুষ্কর্ম তিনি আমরণ করে যান।
অবশেষে ১৬ ই জানুয়ারী ২০১২ ইং সনে তার মৃত্যু হয়।
কিন্তু এতদিনে তার ভ্রান্ত দলের কর্মী হাজার ছাড়িয়ে যায়।
বায়জীদ খান পন্নীর এ নতুন ফেরকা হেযবুত তাওহীদ ভ্রান্ত হবার ফিরিস্তি অনেক দীর্ঘ। আমরা সংক্ষেপে কয়েকটি পয়েন্ট আপনাদের সামনে তুলে ধরছিঃ
১ সশস্ত্র জিহাদে রত নয় এমন কেউ উম্মতে মুহাম্মদী নয়!
হেযবুত তওহীদ, করটিয়া, টাঙ্গাইল থেকে প্রকাশিত “ইসলামের প্রকৃত আকীদা, ক্রমিক নং-১” নামক বইয়ে লিখা হয়েছেঃ “উম্মতে মুহাম্মদীর সংজ্ঞা হল, আল্লাহ যে কাজের দায়িত্ব দিয়ে তার রসূলকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন ও যে দায়িত্ব তিনি তার গঠিত জাতির ওপর অর্পণ করে চেলে গিয়েছেন, যে বা যারা সেই কাজ চালিয়ে যাবে শুধু তারাই উম্মতে মুহাম্মদী। যারা সেই কাজ অর্থাৎ জেহাদ চালিয়ে যাবে না তারা যত বড় মুসল্লিই হন,যত বড় মুত্তাকি, আলেম দরবেশ হন না কেন-উম্মতে মুহাম্মদী নন। হাশরের দিন তার উম্মত হিসাবে রসূলের শাফায়াতের ওপর তাদের কোন দাবী থাকবে না।“ [পৃষ্ঠা নং-১৬]
এর মানে কী দাঁড়াচ্ছে?
জিহাদরত নয়,এমন প্রতিটি মুসলমানই হেযবুত তাওহীদের আকীদায় উম্মতে মুহাম্মদীর গণ্ডি থেকে বেরিয়ে গেছে।
অথচ জিহাদ করলেই ব্যক্তি উম্মতে মুহাম্মদী থাকবে, নতুবা উম্মতে মুহাম্মদী থেকে বেরিয়ে যাবে এমন কথা কুরআন ও হাদীসের কোথাও বিদ্যমান নেই।
নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এমন অনেক সাহাবীই জিহাদের ময়দানে যাওয়া ছাড়াই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন। এর মানে কি তারা উম্মতে মুহাম্মদী নয়? [নাউজুবিল্লাহ বিন মিন জালিক]