1 Answers
সূরা সংক্রান্ত আলোচনাঃ আয়াত সংখ্যাঃ ২০৬ আয়াত। নাযিল হওয়ার স্থানঃ এ সূরা সর্বসম্মতভাবে মক্কী সূরা। সূরার ফযীলতঃ হাদীসে এসেছে ,রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে কেউ প্রথম সাতটি সূরা গ্রহণ করবে সে আলেম হিসেবে গণ্য হবে”। [মুসনাদে আহমাদ: ৬/৮৫, ৬/৯৬] সূরার নামকরণঃ এ সূরার নাম আল-আ’রাফ। এ নামকরণ এ জন্যই করা হয়েছে যে, এ সূরার ৪৬ ও ৪৮ নং আয়াতদ্বয়ে আল-আ’রাফ শব্দটি উল্লেখ করা হয়েছে। এরূপ নামকরণের অর্থঃ এটা এমন একটি সূরা যাতে আ’রাফবাসীদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ হরফগুলোকে 'হুরুফে মুকাত্তা'আত' বলে। এ সম্পর্কে সূরা আল-বাকারার প্রথমে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। সূরা আল আরাফ নাযিলের প্রেক্ষাপট: তাফসীর কারকগণ বিভিন্ন পপরিস্থিতি তুলে ধরেছেন। নিন্মে তা আলোচনা করা হলো- ১.রিসালাতের সত্যতা প্রমাণের জন্য আল্লাহ তায়ালা এ সূরার বহৎ অংশ নাযিল করেন। ২. রাসূল (স)-এর মাক্কী জীবনের শেষের দিকে এসে চাচা আবু তালিব ও স্ত্রী খাদিজা (রা)এর ইন্তেকালের কারণে তিনি আশ্রয়হীন হয়ে পড়েন। অন্যদিকে দ্বীনের দুশমনদের অত্যাচারের পরিমানও বৃদ্ধি পায়। এমতাবস্থায় রাসূল (স) কে সান্ত্বনা দেবার জন্য আল্লাহ তায়াল সূরা আরাফ নাযিল করেন। ৩. করাইশদের ষড়যন্ত্রের মাত্রা যখন সীমা ছাড়িয়ে পড়ে তখন সূরা আরাফের বিরাট একটি অংশ নাযিল হয়। সূরা আরাফের বিষয়বস্তু : সূরা আরাফে তাওহীদ, রিসালাত, আখেরাত সম্পর্কিয় আলোচনায় প্রাধান্য পেয়েছে।