খিঁচুনি বিভিন্ন কারণে হতে পারে। অনেক সময় তীব্র জ্বর থেকে খিঁচুনি হয়। আবার হিস্টিরিয়া, মৃগী রোগ ইত্যাদি থেকেও খিঁচুনি হতে পারে। তবে কোন কারণে খিঁচুনি হচ্ছে, সেটি বুঝবেন কীভাবে?
খিঁচুনির ধরন দেখে কি ধারণা করা যায় যে কী কারণে খিঁচুনি হচ্ছে?
প্রথমত, একটি বাচ্চার জ্বর হলো, ১০২/১০৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট, তখন যে খিঁচুনিটা হয়, জীবনে তার হয়তো এবারই এই খিঁচুনিটা হয়েছে। অনেক সময় বংশগত প্রবণতা থাকে, তার মারও হয়ছিল, বাবারও হয়েছিল বা তার অন্য ভাইবোনদের হয়েছিল। সে বাচ্চাটার কোনোদিনই হয়নি খিঁচুনি। এবারই প্রথম তার জ্বরের সঙ্গে খিঁচুনি হলো, তখন তাকে ফেবাইল কনভালশন বলা হয়। এটা এক ধরনের খিঁচুনি। বা একটি বাচ্চার জ্বর হচ্ছে, সঙ্গে ঘাড় শক্ত হয়ে গেছে, বমি করছে, সঙ্গে খিঁচুনি হচ্ছে, তখন ইনফেকশন গ্রুপের মধ্যে ধরা যেতে পারে। এ ছাড়া মৃগীর কথা যে বললাম, এখানে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, সেখানে জিহ্বা কেটে যাওয়া, ঠোঁট কেটে যাওয়া, মুখ দিয়ে ফেনা বের হয়ে যাওয়া, কাপড়ে প্রস্রাব-পায়খানা করে যাওয়া, যখন তখন অজ্ঞান হয়ে গিয়ে মাটিতে পড়ে যাওয়া, সেগুলো সাধারণত মৃগী রোগের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। হিস্টিরিয়া রোগটা মেয়েদের বেশি হয়, অল্প বয়সে বেশি হয়। আবার যদি মস্তিষ্কের টিউমার হয়, যেটা ৭০/ ৮০ বছর বয়সে হয়, সেটি হিস্টিরিয়া হবে না। সেটা আবার মস্তিষ্কের টিউমারের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত থাকতে পারে। এই জন্য বয়স দেখে, তার ইতিহাস দেখে, তার পারিবারিক ইতিহাস এবং আনুষঙ্গিক যে উপসর্গ, সেগুলো দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
খিঁচুনির ধরন দেখে কি ধারণা করা যায় যে কী কারণে খিঁচুনি হচ্ছে?
প্রথমত, একটি বাচ্চার জ্বর হলো, ১০২/১০৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট, তখন যে খিঁচুনিটা হয়, জীবনে তার হয়তো এবারই এই খিঁচুনিটা হয়েছে। অনেক সময় বংশগত প্রবণতা থাকে, তার মারও হয়ছিল, বাবারও হয়েছিল বা তার অন্য ভাইবোনদের হয়েছিল। সে বাচ্চাটার কোনোদিনই হয়নি খিঁচুনি। এবারই প্রথম তার জ্বরের সঙ্গে খিঁচুনি হলো, তখন তাকে ফেবাইল কনভালশন বলা হয়। এটা এক ধরনের খিঁচুনি। বা একটি বাচ্চার জ্বর হচ্ছে, সঙ্গে ঘাড় শক্ত হয়ে গেছে, বমি করছে, সঙ্গে খিঁচুনি হচ্ছে, তখন ইনফেকশন গ্রুপের মধ্যে ধরা যেতে পারে। এ ছাড়া মৃগীর কথা যে বললাম, এখানে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, সেখানে জিহ্বা কেটে যাওয়া, ঠোঁট কেটে যাওয়া, মুখ দিয়ে ফেনা বের হয়ে যাওয়া, কাপড়ে প্রস্রাব-পায়খানা করে যাওয়া, যখন তখন অজ্ঞান হয়ে গিয়ে মাটিতে পড়ে যাওয়া, সেগুলো সাধারণত মৃগী রোগের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। হিস্টিরিয়া রোগটা মেয়েদের বেশি হয়, অল্প বয়সে বেশি হয়। আবার যদি মস্তিষ্কের টিউমার হয়, যেটা ৭০/ ৮০ বছর বয়সে হয়, সেটি হিস্টিরিয়া হবে না। সেটা আবার মস্তিষ্কের টিউমারের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত থাকতে পারে। এই জন্য বয়স দেখে, তার ইতিহাস দেখে, তার পারিবারিক ইতিহাস এবং আনুষঙ্গিক যে উপসর্গ, সেগুলো দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।