2 Answers
আপনার পোষা বিড়ালটি যদি আগে থেকে ভ্যাকসিন দেওয়া না থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তাই দ্রুত যথাযথ চিকিৎসা নিন।
2840 views
Answered
আপনার কেমন ক্ষতি হবে এটা নির্ভর করে বিড়ালটি আপনাকে কেমন কামর দিয়েছে। আসলে বিড়ালের কামর যদি একেবারেই উপরিভাগে থাকে,আর যদি রক্তও গড়িয়ে না পড়ে তবে এসব ক্ষেত্রে সাধারণত ভয় না পেলেও চলে। আর যদি ক্ষতটা গভীর হয়ে যায় তবে সচেতন হওয়া জরুরি।

কামরের আক্রমণ গভীর হলে অবহেলা করবেন না। সাবান - পানি দিয়ে আক্রান্ত স্থান পরিষ্কার করবেন। জলাতঙ্কের জীবানু (Rabis Virus) কে ঠেকাতে যে কোন ধরণের এন্টিবায়োটিকের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল সাবান পানি। যতটাই কামরের গভীরতা হোক না কেন। যদি খুব বেশি রক্ত পড়ে তবে রক্তপাত ঠেকাতে ছোট ব্যান্ড এইড বা গজ ব্যবহার করতে পারেন; তবে লক্ষ্য রাখুন যেন রক্ত বন্ধ হলেই ব্যান্ডেজ খুলে দেওয়া হয়। এন্টিবায়োটিক মলম বা ক্রিম না দেওয়াই ভালো কারণ ঠিকমত পরিষ্কার না হলে অনেক সময় ক্ষতে জমে থাকা ময়লা থেকে ক্রিমের নিচে বাতাসহীন পরিবেশে টিটেনাসের জীবানু বংশবৃদ্ধি করতে পারে।
যদি ক্ষত খুব গভীর নাও হয় তবে লক্ষ্য করুন এতে অন্য জীবানু সংক্রমন করছে কি না। সংক্রমন বোঝার উপায় হলো-
- ক্ষতস্থান যদি ফুলে যায়।
- লাল হয়ে যায়।
- তীব্র ব্যথা করে বা ওই স্থান থেকে ক্রমাগত বিরামহীনভাবে রক্ত চুঁইয়ে পড়ে।
উপরক্ত বিষয় দেখলে বুঝবেন আর দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যাবার সময় হয়েছে।
বিড়ালের আচরে বড়দের বা বাচ্চাদের উভয়ের জ্বর আসতে পারে।
- এসময় কাঁপুনি দিয়ে বা কাঁপুনি ছাড়াই জ্বর হতে পারে।
- আক্রান্ত স্থানে ছোট ফোসকা পড়তে পারে।
-
পিঠ ব্যথা বা পেট ব্যথা থাকতে পারে।
৭-১৪ দিনের মধ্যে এরকম লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেদন।
যে ক্ষত খুব গভীর বা যদি ক্ষত মুখে হয় তবে ডাক্তারের কাছে যান। ডাক্তার আপনার ক্ষতটি ভালো করে ধুয়ে দেবেন ও প্রয়োজন হলে আরও চিকিৎসা দেবেন।
(সোর্স-
2840 views
Answered