আমি মোঃসাদিক আমি একটা মেয়েকেবিয়ে করছিলাম?

আমি মোঃসাদিক আমি একটা মেয়েকে বিয়ে করেছি।তো আমাদের ৫মাস  তার সাথে আমার সংসারও করেছি হঠাৎ কোন এক ভুলে তাকে আমি তালাক দিয়ে ছিলাম এবং সে ও আমি ২জনেই আরও একটা করে বিয়েও করে ফেলছি।এখন আমরা আবার ২জনকে চাই।এখন সে যদি ঐ স্বামী কে তালাক দিয়ে আমার কাছে আাসে তাহলে কি ইসলাম এ এর কি কোন ঠাই আছে।।প্লীজ কেও জানাবেন 
2540 views

1 Answers

যেহেতু তালাক দিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে দুই জনেই আবার বিয়ে করে ফেলেছেন তাই আর সংসার ভাংবেন না। ইসলাম ধর্মে স্বামী সর্বাবস্থায় তালাক দিতে পারেন। কিন্তু নারীরা তালাক দিতে পারে না। মুসলিম আইনে স্ত্রীর তালাক দেয়ার কোনো ক্ষমতা নেই। তবে নির্দিষ্ট কিছু আইনানুগ উপায়ে একজন স্ত্রীও তালাক প্রদান করতে পারেন। বিয়ে বিচ্ছেদে স্ত্রীর এই অধিকারকে মুসলিম আইনে তিনভাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে যা তালাক-ই তৌফিজ, খুলা ও আদালতের মাধ্যমে বিচ্ছেদ। স্বামী যদি স্ত্রীকে বিবাহ রেজিস্ট্রি তথা কাবিন নামার ১৮ নাম্বার কলামে বিয়ে বিচ্ছেদের ক্ষমতা অর্পণ করে থাকেন এবং সে ক্ষমতার বলে স্ত্রী যদি স্বামীর কাছ থেকে বিচ্ছেদ চান তাহলে সে বিচ্ছেদকে ‘তালাক-ই তৌফিজ বলে। এক্ষেত্রে স্ত্রী আদালতের আশ্রয় ছাড়াই স্বামীকে তালাক দিতে পারেন। স্ত্রী যদি মনে করেন যে তার হক নষ্ট হচ্ছে অথবা তার ওপর জুলুম করা হচ্ছে অথবা ব্যক্তিগত কোনো কারণে সংসার করতে চাচ্ছেন না, সে ক্ষেত্রে স্ত্রীর জন্য জায়েজ আছে স্ত্রী স্বামীর সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে ‘খোলা’ করতে পারবেন। খোলাও এক প্রকার তালাকই। কিন্তু সেটা হচ্ছে, স্বামীর সঙ্গে আলোচনা করে দাম্পত্য সম্পর্ক থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া, মুক্ত করে নেওয়া। আরেকটি সুযোগ হচ্ছে, যদি স্বামী খোলা করতে রাজি না হন এবং তালাকের ক্ষমতা যেহেতু স্বামীর হাতে, তখন স্ত্রীকে এর থেকে বড় ক্ষমতার দিকে যেতে হবে। সেটি হলো, স্ত্রী তার এ বিষয়টি নিয়ে আদালতে যাবেন এবং স্ত্রীর যে অধিকারগুলো নষ্ট হচ্ছে, সেগুলো আদালতে পেশ করবেন। আদালত তখন তার স্বামীকে তলব করে জানতে চাইবেন, এই অভিযোগ গুলো সত্য কি না এবং স্বামী যদি তা স্বীকার করেন, তখন আদালত এই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদের নির্দেশ দেবেন। তখন আর স্বামী বা স্ত্রীর পক্ষ থেকে তালাকের প্রয়োজন হবে না। এখন মুল কথা হচ্ছেঃ এখন স্ত্রী যদি ব্যক্তিগত কোনো কারণে সংসার করতে না চায় এক্ষেত্রে ঐ স্বামীকে তালাক দিয়ে আপনার কাছে আসে তাহলে ইসলামে এর ঠাই আছে। তবে শর্তঃ স্ত্রীকে নিদির্ষ্ট কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। ইদ্দতের সময় শেষ হলে নতুন কাউকে বিবাহ করা যাবে। কেননা, ঐ নারীর গর্ভে আগের স্বামীর সন্তান আছে কিনা সেটা নিশ্চিত হতে হবে। আর শরীয়ত এই নিশ্চিত হওয়ার সময় নির্ধারণ করে দিয়েছে তালাক হলে পরপর ৩টি পূর্ণাংগ ঋতুকালীন সময়।

2540 views Answered

Related Questions

Next steps