এটা কী সত্যি যে ব্রিটিশরা ভারতীয় বা উপমহাদেশের লোকদের অজ্ঞ মনে করতো তাই ৩৩ এ পাশ দিয়েছিল?
তৎকালীন মেট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ব্রিটিশদের ক্ষেত্রে পাশ ছিল ১০০ তে ৬৫ এ।কিন্তু তারা ভারতের মানুষকে অজ্ঞ ও নির্বোধ মনে করতো এবং তারা ভাবতো ভারতীয়রা জ্ঞানে তাদের অর্ধেক।তাই তারা ভারতীয়দের জন্য পাশ নম্বর ৩২.৫ নম্বর করে দেয়।পরে পুরোপুরি সংখ্যা মিলানোর জন্য ৩৩ করে দেয়।এ ঘটনা কী পুরোপুরি সত্য এবং সঠিক নাকি ভুঁয়া?আর এ ঘটনা যদি সত্যি হয় তাহলে কী পাশ নম্বর ৩৩ থেকে ৪০ করে দেওয়া ভাল হচ্ছে না যেহেতু এ ঘটনা ভারতীয় উপমহাদেশের লোকদের জন্য একটু অসম্মান আর অপমানজনক?যেহেতু পাশ নম্বর ৩৩ এর ইতিহাস একদমও ভাল না......
2460 views
1 Answers
হ্যাঁ,ঘটনাটি সত্যি।ইতিহাস তাই বলে।১৮৫৮ সালে উপমহাদেশে প্রথমবারের মতো মেট্রিকুলেশন পরীক্ষা চালু হয়। কিন্তু পাস নম্বর কত হবে তা নিয়ে বোর্ড কর্তৃপক্ষ প্রথমে দ্বিধায় পড়ে। তখন ব্রিটেনে স্থানীয় ছাত্রদের জন্য পাসের নম্বর ছিল ৬৫। সে সময় ইংরেজ সমাজে একটা প্রচলিত ধারণা ছিল যে বুদ্ধি ও দক্ষতায় উপমহাদেশের মানুষ ইংরেজদের তুলনায় অর্ধেক।যার জন্য মেট্রিকুলেশনের পাস নম্বর ৬৫ এর অর্ধেক ৩২.৫ নির্ধারণ করা হয়।পরে তা পূর্ণসংখ্যা ৩৩ করা হয়।সেই থেকে ৩৩ নম্বরই চলছে।সুতরাং এর পরিবর্তন প্রয়োজন।তাই ৩৩ থেকে পাস নম্বর ৪০ করাটা যৌক্তিক।
2460 views
Answered
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy