3 Answers
ঢাকাকে মসজিদের শহর বলা হয়।মুসলিম স্থাপত্য বলতে তো মসজিদকেই বোঝায়।তাহলে আপনার প্রশ্নের উত্তর ঢাকাই হবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ছোট সোনা মসজিদ ও কোতয়ালী দরজার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ওমরপুরে দারাসবাড়ি মসজিদ। এ মসজিদটি পুরোনো বাংলার প্রথম যুগের মুসলিম স্থাপত্য কীর্তির একটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন। স্থানীয় জনসাধারণ এই স্থানকে দারাসবাড়ি বলে থাকেন। মসজিদটির অবস্থান ভারত-বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায়। সোনা মসজিদ স্থল বন্দর থেকে মহানন্দা নদীর পাড় ঘেঁষে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে বাংলাদেশ রাইফেলস-এর সীমান্ত তল্লাশী ঘাঁটি। ঘাঁটি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে ঘোষপুর মৌজায় প্রাচীন মুসলিম স্থাপত্য শিল্পের সুন্দর নিদর্শন দারাসবাড়ি মসজিদ। বর্তমানে জনশূন্য দারাসবাড়ি মসজিদটি ১৪৭৯ খ্রিস্টাব্দে সুলতান শামস উদ্দীন ইউসুফ শাহের আমলে নির্মিত হয়। মসজিদের অভ্যন্তর দুই অংশে বিভক্ত। প্রথম দিকে এ মসজিদের নাম দারাসবাড়ি ছিল না। আগে মসজিদের নাম ছিল ফিরোজপুর মসজিদ। ১৫০২ সালে সুলতান হোসেন শাহ কর্তৃক দারাসবাড়ি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে মসজিদটি দারাসবাড়ি মসজিদ হিসেবে পরিচিত লাভ করে।
বাংলাদেশের সুপরিচিত ঐতিহ্যবাহী বাগের হাট খান জাহান আলীর প্রতিষ্ঠিত ,,,,,,,,,,,,, ষাট গম্বুজ মসজিদ,দেশের প্রাচিন মুসলিম স্থাপত্য।তথ্য সূত্রঃইসলামের ইতিহাস,পাঠ্যপুস্তক,দাখিল নবম,দশম শ্রেনী,বোর্ড ঢাকা।