3 Answers
কোনো অবস্থাতেই কাউকে অভিশাপ উচিত নয়,আর কেউ যদি অভিশাপ দেয় এবং তার কারণ উপযুক্ত না হয় তবে তা নিজের উপরই প্রয়োগ হবে এটি ধর্মীয় কথা
ইসলাম পারত পক্ষে অভিশাপ না দেওয়ার প্রতি উৎসাহিত করেছে। তবে প্রয়োজন হলে অভিশাপ করার বিধান রয়েছে। এক হাদীসে এসেছে: রাসূল সা. ইরশাদ করেন, তোমরা মজলুমে বদদুআ (অভিশাপ)-কে ভয় কর। কেননা তার কৃত অভিশাপ ও মহান আল্লাহর মাঝে কোন পর্দা থাকে না। অর্থাৎ তা তড়িৎ কবুল হয়। –সহীহ বুখারী; হা. নং ২৪৪, সহীহ মুসলিম; হা. নং ১৯, সুনানে নাসাঈ; হা. নং ২৫২১, জামে তিরমিযী; হা. নং ৬২৫, সুনানে ইবনে মাযা; হা. নং ১৭৮৩, সুনানে আবু দাউদ; হা. নং ১৫৮৪
এছাড়াও রাসূল সা. বীরে মায়ূনার যুদ্ধে ৪০ জন কারী শহীদ হওয়ায় কাফেরদের বিরুদ্ধে অভিশাপ করেন। নিম্নে এ সম্পর্কিত কিছু হাদীস উল্লেখ করা হলো-
হযরত আবু হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাঃ ফজরের নামাযের সময় সর্বদা কুনুত [নাজেলাহ] পড়তেন না। শুধু পড়তেন কোন জাতির জন্য দুআ করতে বা বদদুআ করার প্রয়োজন হলে।তিনি কুনুত পড়তেন যখন ফজরের নামাযের দ্বিতীয় রাকাতের রুকু থেকে মাথা উঠাতেন। -সহীহ ইবনে খুজাইমা; হা. নং ১০৯৭
হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসঈদ রাঃ থেকে বর্ণিত। নিশ্চয় রাসূল সাঃ ফজরের নামাযের সময় কুনুত পড়তেন না, শুধুই একমাস পড়েছিলেন। এর আগে বা পড়ে আর এমনটি করতে দেখা যায়নি। সে সময় তিনি কিছু মুশরিকদের উপর বদদুআ করতে পড়েছিলেন। -মুসনাদে আবী হানীফা; হা. নং ৩৪
অভিশাপ সম্পর্কে তেমন কিছু বলার নেই তবে এতটুকু বলতে পারি- আল্লাহ তায়ালা বলেন- যেদিন যালিমদের কোন ওযর আপত্তি কোন কাজ আসবে না,তাদের জন্য রয়েছে - লা'নত এবং নিকৃষ্ট আবাস। [সূরা ৪০, আল মু'মিন ৫২] এদেরই প্রতি আল্লাহ অভিসম্পাত করেছেন এবং আল্লাহ যাকে অভিসম্পাত করেন,তুমি তার জন্য কোনই সাহায্য কারী খঁুজে পাবে না।[সুরা ৪, আন নিসা-৫২] তোমরা পরস্পরে আল্লাহর লা'নত, তার গযবের বা জাহান্নমের অভিশাপ দিবে না।[তিরমিযী / ১৯৮২] কোন ব্যক্তি মুমিনের উপর অভিশাপ দিলে তা তাকে হত্যা করার শামিল। [বুখারী/৫৬০৮]