জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ে অস্হায়ী ভিত্তিতে যে সব নিয়োগ হয় ও গুলো কি পুরো সরকারী? বিস্তারিত জানতে চাই।।
3028 views

3 Answers

কাজ সমূহ বর্ননা করা হলো।।


(১) জেলার রাজস্ব অফিস সমূহের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ, তত্ত্বাবধান ও পরিবীক্ষণ ; (২) ভূমি উন্নয়ন কর নির্ধারণ, আদায়, মওকুফ ও পুনঃনির্ধারণ; (৩) ভূমি রেকর্ড রক্ষণাবেক্ষণ এবং হালনাগাদকরণ; (৪) কৃষি ও অকৃষি খাস জমি এবং অন্যান্য সরকারি সম্পত্তির বন্দোবস্ত প্রদান; (৫) অধিগ্রহণকৃত কিন্তু অব্যবহৃত জমি পুনর্খাসকরণ; (৬) সরকারি কর বহির্ভুত রাজস্ব আদায় এবং এ সংক্রান্ত হিসাব বিবরণী সরকারের কাছে প্রেরণ; (৭) রাজস্ব মামলায় আপিল শুনানী; (৮) রাজস্ব সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্ত; (৯) হাটবাজার ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন; (১০) হাট বাজারের পেরিফেরি নির্ধারণ; (১১) নতুন হাট বাজার স্থাপন প্রক্রিয়াকরণ; (১২) সায়রাত মহালসহ সরকারের অন্যান্য মহাল ব্যবস্থাপনা; (১৩) রেকর্ড রুম ব্যবস্থাপনা;

(১৪) সরকারি দলিল পত্রাদির নকল সরবরাহ; (১৫) অর্পিত, খাস, পরিত্যক্ত সম্পত্তি এবং বিনিময় সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা; (১৬) সরকারি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট দেওয়ানি মামলা পরিচালনা তত্ত্বাবধান; (১৭) আন্তঃজেলা সীমান্ত বিরোধ মীমাংসা; (১৮) সিকস্তি জমির ক্ষেত্রে এডি লাইন হালনাগাদকরণ এবং পয়স্তি ভূমির ক্ষেত্রে চর্চা ম্যাপ প্রস্তুত; (১৯) ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের সাধারণ ভূমি জরিপ কর্মসূচিকে সহায়তা প্রদান: (২০) ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের ডিজিটাল ভূমি জরিপ কর্মসূচিকে সহায়তা প্রদান; (২১) ইউনিয়ন ভূমি অফিস সৃজন; (২৪) রাজস্ব বিষয়ক রিপোর্ট ও রিটার্ন সরকার বরাবর প্রেরণ; (২৫) সরকারি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ভূমি থেকে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ ও খাসজমি পুনরুদ্ধার; (২৬) বন আইন অনুযায়ী বনভূমি ব্যবস্থাপনা; (২৭) জেলায় রাজস্ব সম্মেলন আয়োজন; (২৮) কৃষি ও অকৃষি খাসজমি ব্যবস্থাপনা নীতিমালা বাস্তবায়ন; (২৯) দরিদ্র এবং ভূমিহীনদের জন্য সরকারের পুনর্বাসন কর্মসূচি যেমন আশ্রয়ণ, আবাসন, আদর্শ গ্রাম, গুচ্ছগ্রাম এবং জলবায়ু দুর্গত মানুষের পুনর্বাসন প্রকল্পের বাস্তবায়ন ও তদারকি; (৩০) সরকারের ভূমি সংস্কার নীতিমালা বাস্তবায়ন; (৩১) বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক প্রসেস জারি এবং জরিমানা আদায়; (৩২) বিজ্ঞ আদালতের রায়/ডিক্রী/ আদেশ বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণ; (৩৩) অকৃষি কার্যক্রমের সম্প্রসারণ থেকে মূল্যবান কৃষি জমি রক্ষায় বৈশিষ্ট্যভিত্তিক ভূমি বিভক্তি পদ্ধতি প্রবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ; (৩৪) ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মালিকানাধীন সম্পত্তির বিক্রি/ হস্তান্তরের ক্ষেত্রে অনাপত্তি সনদ প্রদান; (৩৫) জেলার রাজস্ব আদালত ও অফিস পরিদর্শন; (৩৬) জেনারেল সার্টিফিকেট অফিসারের কোর্ট পরিদর্শন; (৩৭) ভূমি রেজিস্ট্রেশন ম্যানুয়েল এবং প্রাসঙ্গিক বিধিবিধান অনুসরণে অবমূল্যায়িত (ইম্পাউন্ড) মামলার নিষ্পত্তি; (৩৮) পৌরসভা এলাকার বাইরে সায়রাত মহাল/হাটবাজারের টোল নির্ধারণ; (৩৯) পার্বত্য জেলাত্রয়ের ভূমি নিবন্ধন; (৪০) ল্যান্ড ইউজ প্ল্যান প্রণয়ন ও বাসত্মবায়নে সহযোগিতা প্রদান; (৪১) প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনা; (৪২) কোর্ট অব ওয়ার্ডস সম্পর্কিত কার্যাবলি; এবং (৪৩) রাজস্ব প্রশাসনের কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের সংস্থাপন বিষয়াদি।


জেলা প্রশাসক বাংলাদেশের জেলার প্রধান প্রশাসনিক ও রাজস্ব কর্মকর্তা।[১] তিনি একাধারে জেলা প্রশাসক, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট(District Magistrate), জেলা কালেক্টর (District Collector)ও ডেপুটি কমিশনার(Deputy Commissioner)। ফলে তিনি একইসাথে আইনশৃঙ্খলা, ভূমিপ্রশাসন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সমন্বয় এবং সাধারণ ও স্থানীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। জেলা প্রশাসক জেলাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রতিনিধি। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানমতে বাংলাদেশ মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার হওয়ায় জেলা প্রশাসকগণ জেলাতে জাতীয় সরকারের প্রতিনিধি।তিনি ঐ জেলার সবকিছুর জন্য জাতীয় সরকারের নিকট জবাব্দিহি করেন। তিনি সরাসরি সরকার প্রধান ও রাষ্ট্রপ্রধানের সাথে যোগাযোগকারী ক্ষমতাপ্রাপ্ত জেলার একমাত্র কর্মকর্তা। জেলা প্রশাসক মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও বিভাগীয় কমিশনারের নির্দেশ ও তত্ত্বাবধানে কাজ করেন। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসেরপ্রশাসন ক্যাডারের জেষ্ঠ পর্যায়ের সদস্য ও সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ আমলা। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন ক্যাডার হতে পদোন্নতিপ্রাপ্ত সরকারের উপসচিবগণের মধ্য হতে জেলা প্রশাসক নিয়োগ করা হয়। Warrant of Precedence, 1986 অনুসারে উপসচিব এর পদমর্যাদার ক্রম ২৫ হলেও জেলা প্রশাসকের পদমর্যাদার ক্রম ২৪। তবে জেলা প্রশাসক শব্দটি ডেপুটি কমিশনার শব্দের বঙ্গানুবাদ নয়, বরং দুটো আলাদা পরিচিতিকে নির্দেশ করে। বর্তমান বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জেলা প্রশাসক শব্দটির সর্বব্যাপী প্রয়োগ সুপ্রতিষ্ঠিতভাবে লক্ষ করা যায়। বিশেষত সরকারী দপ্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাধ্যতামূলকভাবে গৃহীত হওয়ার কারণে কেবলমাত্র ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটের কাজের ক্ষেত্রেই নয়, কালেক্টর বা ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট বা ডেপুটি কমিশনারের সামগ্রিক কাজের ক্ষেত্রে একক বাংলা প্রতিশব্দ হিসেবে জেলা প্রশাসক এর ব্যবহার প্রায়োগিক ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। জেলা প্রশাসক জেলার চিফ অব প্রটোকল।

3028 views

অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ গুলা যদি সরকারি হত তাহলে অস্থায়ী নিয়োগ হতো না সে গুলা স্থায়ী নিয়োগ ই হতো। অস্থায়ী মানে আজ আছে কাল নাও থাকতে পারে। আমার জানা মতে সকল সরকারি চাকুরী স্থায়ী। সময় নির্ধারিত। 

3028 views

শুধু জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জন্য না, সকল সরকারি চাকুরীর ক্ষেত্রে বলছি ।  সরকারী চাকুরীতে মূলত তিনটি পদ্ধতিতে নিয়োগ দিয়ে থাকে । ব্যাখ্যা সহ নীচে উল্লেখ করছি: 1) স্থায়ী : যদি বিজ্ঞপ্তিতে সরাসরি স্থায়ী( রাজস্ব) / স্থায়ীভাবে উল্লেখ থাকে তবে আপনি সরাসরি স্থায়ী ভাবে নিয়োগ পাবেন । 2) অস্থায়ী: যদি বিজ্ঞপ্তিতে অস্থায়ী ভাবে উল্লেখ থাকে তাহলে আপনাকে একটা নির্দিষ্ট সময়কাল পরে স্থায়ীকরন করবে । এটা হতে পারে 6 মাস, এক বছর, দেড় বছর কিংবা দুই বছর । উল্লেখ্য যে সরকারি চাকুরীর বেশির ভাগ  চাকুরীতেই এই পদ্ধতিতে নিয়োগ দেয়া হয়।  3) সম্পূর্ণ অস্থায়ী বা মেয়াদী : এই পদ্ধতিতে আপনাকে নির্দিষ্ট মেয়াদকাল পর্যন্ত রাখবে । মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে আর চাকুরী থাকবে না । নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে মেয়াদকাল উল্লেখ করাই থাকে । কোথায় বুঝতে সমস্যা হলে মন্তব্য করুন ।

3028 views