2 Answers
বিভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিক অণুজীবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভাবে কাজ করে। তার মধ্যে প্রধান প্রধান উপায় গুলো হলঃ
- ব্যাক্টেরিয়ার কোষপ্রাচীরের (Cell Wall) পেপ্টাইডোগ্লাইকেন(Peptidoglycan)সংশ্লেষণ বন্ধ করে দেয়: বিটা-ল্যাক্টাম (beta-lactam) অ্যান্টিবায়োটিক (যেমনঃ পেনিসিলিন) কোষ প্রাচীরেরপেপ্টাইডোগ্লাইকেন সংশ্লেষন বন্ধ করে দেয়। [১]দৃঢ়ঃ পেপ্টাইডোগ্লাইকেন স্তরের অভাবে কোষ সাধারণত পানি শোষনের মাধ্যমে মরে যায়। তাছাড়া ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর কিছু উৎসেচক(enzyme) ধারণ করে যারা পেপ্টাইডোগ্লাইকেনের স্তরকে ভাঙে, যার ফলে নতুন পেপ্টাইডোগ্লাইকেন স্তর সৃষ্টি হতে পারে। কোষের নিজের এমন কিছু পদার্থ আছে যারা এই প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রনে রাখে, যেন প্রয়োজনের অতিরিক্ত এবং সবসময় পেপ্টাইডোগ্লাইকেন স্তর ক্ষয় হতে না পারে। পেনিসিলিনের জন্য অনেক ক্ষেত্রে এই সব নিয়ন্ত্রক পদার্থ কোষ থেকে হারিয়ে যায়। ফলশ্রুতিতে, কোষস্থ উৎসেচকপেপটিডোগ্লাইকেন স্তর ভাঙতে থাকে। যে সকল ব্যাক্টেরিয়ার কোষ প্রাচীর নেই, তাদের উপর এই জাতীয় আন্টিবায়োটিক কাজ করতে পারে না। মাইকোপ্লাজমা (Mycoplasma নামক ব্যাক্টেরিয়ার কোষ প্রাচীর পেপ্টাইডোগ্লাইকেন স্তর নেই, ফলে তা পেনিসিলিন-রোধী (Penicillin resistant-পেনিসিলিন রেজিস্ট্যান্ট)।
- কোষপর্দায় (Cell Membrane) ছিদ্র করে: বিভিন্ন পলিপেপটাইড আন্টিবায়োটিক (যেমন: পলিমিক্সিন (Polymyxin)) ব্যাক্টেরিয়ার কোষঝিল্লিধবংস কররার ক্ষমতা আছে। এরা কোষঝিল্লির মুখ্য উপাদান ফসফোলিপিড(Phospholipid) নষ্ট করে দেয়। এর ফলে কোষঝিল্লির সাধারণ ভেদ্যতা নষ্ট হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদার্থ কোষ থেকে বের হয়ে যায় এবং অবশেষে কোষটি মারা যায়।
সংগৃহীত!
2938 views
Answered
অ্যান্টিবায়োটিক রোগ সৃষ্টিকারী জীবানুর কোষ প্রাচীর পঠনে বাধা সৃষ্টি করায় অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় জীবাণু - দেহে পানির অনুপ্রবেশ ঘটে। ফলে জীবাণুর দেহ ভেঙ্গে যাওয়ায় তা জীবাণুকে ধ্বংস করে।
2938 views
Answered