1 Answers
কোনও রোগের কারণে যদি প্রস্রাবের ধরনে এমন বদল আসে, তাহলে হাতের তালু,পা এবং মুখ ঘামতে শুরু করবে। সেই সঙ্গে ক্লান্তি, ক্ষিদে কমে যাওয়া, মাথা ঘোরা, বমি, ঘুম কমে আসা, প্রস্রাবের রং গাড় হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণগুলিও প্রকাশ পেতে শুরু করবে।
অসুবিধা ঃঃশরীরের ভাইটাল অর্গানগুলির মধ্যে অন্যতম হল কিডনি। তাই এই অঙ্গটি যদি ঠিক মতো কাজ করতে না পারে তাহলে তো বিপদ। সেই কারণেই প্রস্রাবে ফেনা হওয়াটাকে হাল্কা চালে নেওয়া উচিত নয়। প্রসঙ্গত, যে যে কারণে কিডনির ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে, সেই কারণগুলি হল- ডায়াবেটিস, ক্রনিক কিডনি ডিজজ, উচ্চ রক্তচাপ প্রভৃতি। তাই কারও যদি এই রোগগুলির মধ্যে কোনওটা থাকে এবং প্রস্রাবে ফেনা হওয়ার মতো লক্ষণও প্রকাশ পায়, তাহলে সাবধান হতে হবে। এক্ষেত্রে কী কারণে এমন লক্ষণ দেখা দিচ্ছে সে সম্পর্কে জেনে নিয়ে যথাযথ চিকিৎসা শুরু করতে হবে। না হলে কিন্তু মৃত্যু মুখে পরা ছাড়া কোনও উপায় থাকবে না। প্রসঙ্গত, আরেকটি রোগের কারণেও অনেক সময় প্রস্রাবে ফেনা হয়ে থাকে। কী সেই রোগ? শরীরের নিয়ম অনুসারে স্পার্ম ইউরেটার হয়ে শরীরের বাইরে বেরিয়ে আসবে। কিন্তু এমনটা না হয়ে যখন সিমেন উল্টো পথে ইউরিনারি ব্লাডারের দিকে চলে যায়, তখন নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। যার অন্যতম হল প্রস্রাবে ফেনা হওয়া। এই রোগকে চিকিৎসা পরিভাষায় রেট্রোগেড ইজেকুলেশন বলা হয়ে থাকে।
প্রতিকার ঃ
কী কারণে এমনটা হচ্ছে জানার পর সেই মতো চিকিৎসা শুরু করতে হয়। যদি কিডনির কোনও রোগের কারণে প্রস্রাবে ফেনা হয়ে থাকে তাহলে সেই রোগের চিকিৎসা শুরু করতে হবে। একবার রোগ সেরে গেলেই লক্ষণও কমে যেতে শুরু করবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy