মুসলিম শরীফের একটি হাদিসে পড়েছি, পৃথিবীর দুটি নদীর সাথে জান্নাতের কানেকশন আছে। রাসূল সাঃ এর হাদিস তো মিথ্যা হতে পারেনা! তবে তা কিভাবে?
3540 views

1 Answers

না। তবে এটা জান্নাতের অন্তর্ভুক্ত হবে। আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সাইহান, জাইহান (দু’টি নদ) এবং ফুরাত ও নীল (দু’টি নদ) এসবের প্রত্যেকটিই জান্নাতের নহরসমূহেরই অন্তর্ভুক্ত হবে। (ই.ফা. ৬৮৯৮, ই.সে. ৬৯৫৫) সহিহ মুসলিম, নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু‘টি প্রবহমান নদী দুনিয়ার আসমানে দেখলেন। জিজ্ঞেস করলেন, এ নদী দু‘টি কোন নদী হে জিব্‌রীল! জিব্‌রীল (আঃ) বললেন, এ দু‘টি হলো নীল ও ফুরাতের মূল। এরপর জিব্‌রীল (আঃ) নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে সঙ্গে নিয়ে এ আসমানে ঘুরে বেড়ালেন। তিনি আরো একটি নদী দেখলেন। এর ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল মোতি ও জাবারজাদের তৈরী একটি প্রাসাদ। নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নদীতে হাত মারলেন। সেটা ছিল অতি উন্নতমানের মিস্‌ক। তিনি বললেন, হে জিব্‌রীল! এটি কী? জিব্‌রীল (আঃ) বললেন, হাউযে কাউসার। যা আপনার রব আপনার জন্য সংরক্ষিত রেখেছেন। [৩৫৭০; মুসলিম ১/৭৪, হাঃ ১৬২, আহমাদ ১২৫০৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭০০৯) সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৭৫১৭ মহানবী (সাঃ) ৪টি নহর দেখলেন। দুটি যাহিরী আর দুটি বাত্বিনী। যাহিরী বা প্রকাশ্য নহর ছিলো, নীল এবং ফুরাত। এর তাৎপর্য সম্ভবত এই যে, তার দ্বীন নীল এবং ফুরাতে সজীব এলাকা সমূহে বিস্তার লাভ করবে। অর্থাৎ এখানকার অধিবাসীরা বংশ পরম্পরায় মুসলিম হবে। এটার অর্থ এই নই যে, এ দুটি নহরের পানির উৎস জান্নাতে রয়েছে। নীল নদী আফ্রিকার মিসর রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে গেছে এবং ফুরাত নদী ইরাকের কুফার নিকট অবস্থিত।(সংক্ষিপ্ত নাবাবী)

3540 views

Related Questions