ইন্ডিয়া যাওয়া সম্পর্কে?
2 Answers
আজকাল বাসে করেও যাওয়া যাচ্ছে ভারতে। ঢাকা থেকে শ্যামলী, গ্রিন লাইন, সৌহার্দ্য, সোহাগ ইত্যাদি বাসগুলো চলাচল করে ঢাকা-ভারত রুটে। মাঝখানে ঘণ্টাখানেকের ইমিগ্রেশন সহ মোটামুটি ষোল সতের ঘণ্টার মধ্যেই ভারতের মাটিতে পা রাখতে পারবেন। ভাড়া পড়বে ১৪শ থেকে ১৭শ টাকার মতো। ইচ্ছে হলে ট্রেনে চেপেও যেতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আপনাকে ধরতে হবে মৈত্রী এক্সপ্রেস। ট্রেনে সময় লাগবে প্রায় ১২ ঘণ্টা। মধ্যখানে দুবার ইমিগ্রেশন পাবেন। এসি বা নন এসি উভয় ক্লাসেই ভ্রমন সুবিধা আছে। নন এসির ভাড়া পড়বে ৬৬০ টাকা, আর এসিতে ১১শ ৩৩ টাকা এবং বাথ এ ১৬শ পঞ্চাশ টাকা। এবার আকাশপথ। বাংলাদেশ বিমান, রিজেন্ট, ইউনাইটেড ছাড়াও ভারতে উড়ে যায় জেট এয়ার ওয়েজ, এয়ার ইন্ডিয়ার প্লেন। সময় লাগে মাত্র ৪৫ মিনিট। তবে ভাড়া পড়বে ৪ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকার মধ্যে। আরও কম খরচে যেতে চাইলে ভিন্ন উপায় আছে। সে ক্ষেত্রে ভেঙে ভেঙে যেতে হবে। উঠে পড়ুন বেনাপোলগামী যে কোনো বাসে। ভাড়া লাগবে ৫শ টাকার মতো। তারপর বেনাপোলে ইমিগ্রেশন ও ট্রাভেল ট্যাক্স দিয়ে হেঁটে পার হন নোম্যানস ল্যান্ড। প্রবেশ করুন হরিদাসপুরে (পেট্রাপোল) ভারতীয় ইমিগ্রেশন দপ্তরে। এরপর অটোরিকশায় চেপে চলে যান বনগাঁ স্টেশন। ভাড়া নেবে ২৫ রুপি। বনগাঁ স্টেশন নেমে ২০ রুপির টিকিট কেটে নামতে পারেন শিয়ালদাহ স্টেশনে। অথবা বনগাঁ থেকে ১৮ রুপির টিকিট কেটে নামতে পারেন দমদম। এখান থেকে মেট্রোয় ১০ রুপি টিকিট কেটে চলে যান পার্ক স্ট্রিট। ব্যস, ভারত পৌঁছে যাবেন। ধন্যবাদ।
ঢাকা থেকে কলকাতায় বিমান, ট্রেন ও বাসে যেতে পারেন। কিন্তু আপনি কোন পথে যেতে চান সেটা আপনার পাসপোর্টে উল্লেখ থাকতে হবে। তাই আপনাকে সবার আগে আপনার পাসপোর্ট এবং ভিসার যা যা কাজ আছে তা আগে শেষ করতে হবে।
প্রথমত আপনি যেতে পারেন স্থলপথে। অর্থাৎ, বাসে। তবে ভিসার সময় আপনাকে পাসপোর্টে অবশ্যই সেটা উল্লেখ করতে হবে। যদি বাসে করে সরাসরি কলকাতায় যেতে চান তাহলে আপনি ঢাকা থেকে শ্যামলী, গ্রিন লাইন, সৌহার্দ্য, সোহাগে যেতে পারেন। বাসগুলো নামাবে একেবারে কলকাতা নিউমার্কেটসংলগ্ন মারকুইস স্ট্রিটে। যদি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই বাসগুলোতে রাতে বেনাপোল স্থল বন্দরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন, তাহলে প্রায় সতেরো ঘণ্টার জার্নি করে (মাঝে ইমিগ্রেশনে লাগবে কয়েক ঘণ্টা) বনগাঁ হয়ে আপনি পৌঁছে যাবেন মধ্য কলকাতার পার্ক স্ট্রিটে। ভাড়া পড়বে ১৪-১৭শ টাকার মতো।
চাইলে ট্রেনে চেপেও যেতে পারেন কলকাতায়। বিশেষ করে যারা রেলভ্রমণ করতে পছন্দ করেন। সেক্ষেত্রে ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে চলা ‘মৈত্রী’ এক্সপ্রেসে চড়ে বসতে পারেন। মৈত্রী এক্সপ্রেস নামাবে সরাসরি কলকাতায়। গন্তব্য স্টেশনের নামও 'কলকাতা স্টেশন'। এটি উত্তর কলকাতার চিৎপুরে অবস্থিত। ৩শ ৯২ কিলোমিটার রাস্তা পেরোতে মোট সময় লাগবে কমবেশি ১২ ঘণ্টা। এর মধ্যে দুই বর্ডারে ইমিগ্রেশন করতে দুই দুই চার ঘণ্টা সময় লাগে। এখানে আপনি এসি ও নন-এসি দু’ধরনের টিকিট পাবেন। ভাড়া আপনার সাধ্যের মধ্যে। জেনে রাখার ভালো, ট্রেনের ভাড়া বাস ভাড়ার থেকে কম। নন-এসিতে ভাড়া পড়বে ৬৬০ টাকা। আর এসি- চেয়ার ১১শ ৩৩ টাকা এবং বাথ ১৬শ ৫০ টাকা।
বাকি রইলো আকাশপথ। বাংলাদেশ বিমান, রিজেন্ট, ইউনাইটেড ছাড়াও আসতে পারেন জেট এয়ার ওয়েজ, এয়ার ইন্ডিয়ার প্লেনে। সময় লাগবে কমবেশি ৪৫ মিনিট। নামবেন নেতাজী সুভাষ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। ভাড়া ৪ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকার মধ্যে। মনে রাখবেন ইমিগ্রেশনে দালালদের ফাঁদে পা দেবেন না। নিজের ইমিগ্রেশন ফর্ম নিজে পূরণ করুন। দরকার হলে ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তাদের সাহায্য নিন। আরও একটি বিষয় এ প্রসঙ্গে অবশ্যই মন রাখবেন। কারেন্সি পরিবর্তন করার জন্য এখানে কিছু দালাল আপনাকে নানা রকম ভয় দেখাতেও পারে। ভয়ের কোনো কারণ নেই। নির্ভয়ে থাকুন।
কম খরচে যাওয়ার উপায় : এতো খরচ যদি আপনি না পোষাতে পারেন তাহলে ভিন্ন উপায়ও আছে। আপনাকে যেতে হবে ভেঙে ভেঙে। উঠে পড়ুন বেনাপোলগামী যে কোনো বাসে। ভাড়া লাগবে ৫শ টাকার মতো। তারপর বেনাপোলে ইমিগ্রেশন ও ট্রাভেল ট্যাক্স দিয়ে হেঁটে পার হন নোম্যানস ল্যান্ড। এরপর প্রবেশ করুন হরিদাসপুরে (পেট্রাপোল) ভারতীয় ইমিগ্রেশন দপ্তরে। ইমিগ্রেশন পর্ব শেষ করুন। এরপর অটোরিকশায় চলে যান বনগাঁ স্টেশন। ভাড়া নেবে ২৫ রুপি। এখানে চারজন হলে তবেই অটো ছাড়ে। বনগাঁ স্টেশন নেমে ২০ রুপির টিকিট কেটে নামতে পারেন শিয়ালদাহ স্টেশনে। যা উত্তর কলকাতায় অবস্থিত। অথবা বনগাঁ থেকে ১৮ রুপির টিকিট কেটে নামতে পারেন দমদম। এখান থেকে মেট্রোয় ১০ রুপি টিকিট কেটে চলে যান পার্ক স্ট্রিট। অচেনা রাস্তা বলে চিন্তা করবেন না। প্রতি পদক্ষেপে সাহায্য নিতে পারেন কলকাতা পুলিশ, রেল পুলিশের। তারা সব সময়য়ই আপনার সাহায্যে এগিয়ে আসবে।
কেউ বলতে পারে ভারতে বাংলাদেশের কারেন্সি বা ডলার নিয়ে ঘুরলে আপনাকে ভারতীয় পুলিশ ধরতে পারে। একথা একবারে ভিত্তিহীন। যদি আপনি কারেন্সি ‘এনডোর্স’ করিয়ে নিয়ে থাকেন তবে কোনো সমস্যা নেই। প্রয়োজন অনুসারে আপনি যেকোনো জায়গায় কারেন্সি ভাঙাতে পারেন। কলকাতায় বেশ কয়েকটায় মানি এক্সচেঞ্জের দোকান আছে। ঘুরে ঘুরে নিজের ইচ্ছামতো দোকানে কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করুন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy