4 Answers

যৌনসঙ্গমের মাধ্যমে মেয়েরা প্রেগনেন্ট হয়। সাধারণত মেয়েদের মাসিক চক্রের সময় যৌনমিলন করলে তারা গর্ভবতী হয়।

3050 views

গর্ভধারন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা শুরু হয় ডিম্বাণুর নিষিক্তকরণের মাধ্যমে এবং শেষ হয় ডিম্বাণুটি মেয়েদের জরায়ুতে প্রতিস্থাপনের মধ্য দিয়ে। মাসের একটি নির্দ্দিষ্ট সময়ে (বিশেষ করে মাসিক হওয়ার পর মাঝামাঝি সময়টাতে) মেয়েদের ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নি:সৃত হয়, আর তখনই একজন নারী গর্ভধারণের উপযুক্ত হয়। সঙ্গমের সময় পুরুষের লিঙ্গ থেকে বীর্য বের হয়ে তা মেয়েদের যোনিমুখ দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে। সাধারণত একেকবারে নির্গত বীর্যে ৩০০ মিলিয়নেরও বেশি শুক্রানু থাকে। অধিকাংশ শুক্রানু আবার যোনিমুখ দিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে, কিছু কিছু শুক্রানু জরায়ুর মুখ থেকে সাঁতরে জরায়ুর অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। মেয়েদের যখন ডিম্বাণুর নি:সরণ হয়, তখন জরায়ু মুখের শ্লেষ্মা অন্যান্য সময়ের চেয়ে পাতলা হয়, ফলে শুক্রানু অনায়াসেই এর মধ্য দিয়ে যেতে পারে। শুক্রানু গর্ভাশয়ের মধ্য দিয়ে সাঁতরে ডিম্বনালী (ফেলোপিয়ান টিউব) এ প্রবেশ করে। এখানেই ডিম্বাশয় থেকে নির্গত ডিম্বানু অবস্থান করে। এই শুক্রানু ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলে গিয়ে নিষিক্ত হয়, অর্থাৎ গর্ভাবস্থার সূচনা হয়। আর এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় ডিম্বনালীতে। নিষিক্ত হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে ওই ডিম্বাণুটি (এটি এখন ভ্রুণ) খুব ধীরগতিতে ডিম্বনালী থেকে বেরিয়ে যায় এবং গর্ভাশয়ে (উম্ব) জায়গা করে নেয়। এটি ক্রমান্বয়ে বড় হতে শুরু করে। ভ্রুণটি তখন গর্ভাশয়ের পুরু দেয়ালে নিজেকে খুব দৃঢ়ভাবে সেঁটে রাখে। একে বলে প্রতিস্থাপন। ভ্রুণ এবং ডিম্বাশয়ের মাধ্যমে নি:সৃত হরমোন গর্ভাশয়কে রক্তপাত থেকে প্রতিহত করে। আর এজন্যই অন্ত:সত্ব্বা কালে মেয়েদের মাসিক বন্ধ থাকে।

3050 views

মুসা ভাই, মূলত মহিলাদের গর্ভে এক বা একাধিক ভ্রুন ধারন করাকে গর্ভধারণ বলে। কেবল নারী পুরুষ মিলনের পরেই গর্ভধারণ সম্ভব! সাধারণত নিষেকের প্রায় ৩৭ সাপ্তাহ পর অথ্যৎ সর্বশেষ নিয়মিত রজঃস্রাব প্রায় ৪০ সাপ্তাহ পর গর্ভবতি মহিলা সন্তান প্রসব করে। World health Organigation আনুসারে ৩৭ সাপ্তাহ থেকে ৪২ সাপ্তাহ পর সন্তান প্রসব স্বাভাবিক হিসাবে বিবেচিত।

3050 views

স্ত্রীর ডিম্বানু আর পুরুষের শুক্রানুর মিলনের ফলে পেটে বাচ্চার জন্ম নেয়। ধন্যবাদ

3050 views

Related Questions