5 Answers

আমার জানা মতে বেসি বেসি হাঁটাহাঁটি, খাওয়া দাওয়া কমান, এবং নিয়মিত বেয়াম করলে আসাকরি আগের থেকে উন্নত হবে।

3046 views Answered
Dr Md Billal Hossain
ভিডিও কল এ রোগী দেখার সময়ঃ-
প্রতি দিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১ টা ও বিকাল ৪ টা থেকে রাত ১২ টা চেম্বার এ রোগী দেখার সময়ঃ- .

শরিরের ওজন কমানোর জন্য জিম করতে হবে এবং খাদ্য তালিকায় পরিবর্তন করতে হবে। দুই বেলা রুটি ১বেলা ভাত। শাক সবজি বেশী পরিমানে খাইতে হবে।প্রতিদিন কাচা শশা বা খিরাই কমপক্ষে ১কেজি খাইতে হবে। চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া যাবে না। মাংশ পরিহার করতে হবে।

3046 views Answered

মিষ্টিজাতীয় খাবার, কোল্ড ড্রিঙ্কস এবং তেলে ভাজা স্ন্যাক্স থেক ১০০ হাত দূরে থাকুন। কেননা এ জাতীয় খাবারগুলো আপনার শরীরের বিভিন্ন অংশে, বিশেষত পেট ও উরুতে খুব দ্রুত চর্বি জমিয়ে ফেলে।

3046 views Answered

নিয়মিত একটা পেঁপেঁ খেতে হবে।শাক-সবজি বেশি খেতে হবে।চর্বিযুক্ত খাবা পরিহার করতে হবে।প্রতিদিন হালকা জিম বা বেয়াম করতে হবে।সম্ভব হলে প্রতিদিন মাঠে খেলাধুলা করতে হবে।

3046 views Answered

জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগ দিয়েছে ১৫ দিনে ওজন কমানোর ১২টি সহজ পরামর্শ। ১. পানি পান করুন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করলে শরীর আর্দ্র থাকে, এতে আপনার পেট ভরা এমন ভাবও তৈরি হবে। ক্ষুধাও কম লাগবে, এ কারণে আপনি কম খাবেন, ধীরে ধীরে ওজনও কমবে তাতে। দিনে অন্তত ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করুন। ২. ফ্রিজ পরিষ্কার করুন শুনে হাসি পাচ্ছে? ওজন কমানোর সঙ্গে আবার ফ্রিজ পরিষ্কারের সম্পর্ক কী? সম্পর্ক আছে। ফ্রিজ বা রান্নাঘরে যেসব উচ্চমাত্রার ক্যালরিসমৃদ্ধ খাবার রয়েছে বা ফাস্টফুড রয়েছে, সেগুলো সরান। এর বদলে স্বাস্থ্যকর খাবার রাখুন। রাখুন ফল ও সবজি। স্বাস্থ্যকর খাবার সামনে থাকলে এসব খাওয়ার অভ্যাসও ধীরে ধীরে তৈরি হবে। ৩. চিনি ও শর্করা থেকে দূরে চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার থেকে ১৫ দিন অন্তত দূরে থাকুন। পাশাপাশি শর্করাজাতীয় খাবার কম খান। ভাত, রুটি কম খান। এসব খাবার কম খেলে ওজন দ্রুত কমবে। ৪. প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খান প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন। এতে পেশি স্বাস্থ্যকর হবে। প্রোটিন খাবার বাদ দিলে শরীরে এর বাজে প্রভাব পড়বে। ডিম, দুধ, মুরগির মাংস, ডাল খাদ্যতালিকায় রাখুন। তবে লাল মাংস (গরু, খাসি) এড়িয়ে চলুন। ৫. সবজি খান বেশি বেশি খুব সহজ কথা। সবজি খেলে ওজন কমে। হ্যাঁ, তাই থালায় বেশি বেশি সবজি রাখুন। সবজির মধ্যে রয়েছে পুষ্টি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো শরীর ভালো রাখতে সাহায্য করে। ৬. ক্যালরি গ্রহণ আপনার শরীরের জন্য কতটুকু ক্যালরি দরকার, সে অনুযায়ী ক্যালরিসমৃদ্ধ খাবার খান। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ৭. খাবার বাদ দেবেন না না খেয়ে কিন্তু ওজন কমানো যায় না। তাই কোনো বেলার খাবারকে বাদ দেওয়া যাবে না। দিনে অন্তত ছয়বার খান। তিনবেলা বড় খাবার ও তিনবেলা ছোট খাবার—এভাবে খাবারকে ভাগ করুন। একেবারে খুব বেশি না খেয়ে অল্প পরিমাণ খাবার খান। ৮. ফাস্টফুডকে না বলুন প্রক্রিয়াজাত খাবার, ফাস্টফুড, কোমল পানীয়, সোডা—এই খাবারগুলোকে একেবারে না বলুন। এগুলোর মধ্যে উচ্চ পরিমাণ ক্যালরি থাকে, এতে ওজন বাড়ে। ৯. ছোট থালায় খান বড় থালায় খেলে বেশি খাওয়া হয়ে যায়। তাই ছোট থালায় খান। খাবার কম খেতে চামচও ব্যবহার করতে পারেন। হাত দিয়ে খেলে বেশি খাবার একবারে আপনি মুখে দেন। হাতের বিকল্প চামচ ব্যবহার করলে খাবার কম গ্রহণ করা হয়। ১০. আয়নার সামনে বসে খান শুনতে হয়তো অদ্ভুত লাগছে, তবে গবেষণায় বলা হয়, যেসব লোক আয়নার সামনে বসে খায়, তাদের ওজন দ্রুত কমে। কীভাবে? তারা নিজেকে দেখতে থাকে আর ভাবতে থাকে, ওজন কমানো দরকার। এই ভাবনা কাজে দেয় কি না, একবার পরীক্ষা করে দেখতে পারেন! ১১. হাঁটুন ওজন কমাতে হাঁটার কোনো বিকল্প নেই। আর হাঁটা তো কেবল ওজনই কমাবে না, কমাবে হৃদরোগের ঝুঁকিও। বিষণ্ণতা বা মন খারাপ ভাবও কমে যাবে অনেক। ১২. একটু কম খান আগে যেখানে হয়তো তিনটি রুটি খেতেন, সেখানে একটি রুটি খান বা যেখানে এক থালা ভাত খেতেন, সেখানে এক কাপ ভাত খান। এর বদলে পেট ভরুন সবজি আর ফল দিয়ে।

3046 views Answered

Related Questions

Next steps