3 Answers
ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট অসুস্থতা জন্য এন্টিবায়োটিক ঔষুধ দেয়া হয়. এন্টিবায়োটিক খাওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞ পরামর্শ বাধতামূলক এই কারণে যে, বিশেষজ্ঞ সঠিক ভাবে ধরতে পারবে আপনি কোন ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত আর সেই অনুযায়ী এন্টিবায়োটিক দেয়া হবে. তাছাড়া ডাক্তার বুঝতে পারবে ব্যবস্থাপত্রে কতটুকু পরিমান এন্টিবায়োটিক লিখে দিলে শরীরের সব ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ঔষুধ এর সাথে যুদ্ধ করে পরাজয় বরণ করবে. তাড়াতাড়ি এন্টিবায়োটিক সেবন বন্ধ করা হলে অথবা সঠিক এন্টিবায়োটিক গ্রহণ না করলে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ পুনরায় আরম্ভ হতে পারে অথবা ব্যাপক আকার ধারণ করতে পারে. এন্টিবায়োটিক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বা অ্যালার্জীর কারণ হতে পারে আর ভুল অ্যান্টিবায়োটিক শরীরের ভাল ব্যাকটেরিয়া দমন সহ আপনার মৃত্যুর ও কারণ হতে পারে. তাই সব রিস্ক পর্যালোচনা করে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েই অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করা উচিত।
সাধারণত কোনো ব্যাক্টেরিয়াল ইনফেকশন এর কারণে
এন্টিবায়োটিক ঔষধ দেওয়া হয়ে থাকে। সাধারণত
চিকিৎসক ৩/৭/১০/১৪/২১ দিনের কোর্স রোগীর
অবস্থার উপর নির্ভর করে দিয়ে থাকেন। যদি প্রয়োজন
ছাড়া অথবা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এন্টিবায়োটিক
গ্রহণ করেন তাহলে শরীরের ক্ষতি হবে এটাই স্বাভাবিক।
অতিরিক্ত এন্টিবায়োটিক খেলে অনেক side effect আছে । মাথা ঘুরতে পারে । বমি হতে পারে । এমনকি ক্যান্সার ও হতে পারে ।