1 Answers
পোলারিটির কোনো প্রতীক নাই।
সাধারণত উচ্চ তরিৎ ঋণাত্মক পরমানু শেয়ারকৃত ইলেকট্রন যুগলকে নিজের দিকে টেনে নেয়। ফলে ঐ পরমানুতে আংশিক ঋণাত্মক চার্জ এবং অপর পরমানুতে আংশিক ধনাত্মক চার্জ সৃষ্টি হয়। এ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক মেরুকে একত্রে ডাইপোল বলে। সমযোজী যৌগের অনুতে ডাইপোল সৃষ্টির ধর্মকে পোলারিটি বলে।
সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ পরমানুদ্বয়ের তরিৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য যত বেশি হয়, পোলারিটি তত বৃদ্ধি পায়। এবং যৌগ ধীরে ধীরে আয়নিক চরিত্র লাভ করে।
তথ্যসূত্রঃ রসায়ন ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)
2947 views
Answered