1 Answers
গর্ভাবস্থায় প্রোল্যাকটিন নামক হরমোন দুগ্ধ উৎপাদনের জন্য স্তনে অবস্থিত লোবিউলসমূহকে উত্তেজিত করে। অর্থাৎ সন্তান প্রসবের পূর্বেই স্তনে দুগ্ধ তৈরি শুরু হয়। কিন্তু ঐসময় দুগ্ধ উৎপাদনের পরিমান সীমিত থাকে, তাই কৃত্রিম পদ্ধতি অবলম্বন করা ছাড়া দুগ্ধ বের হয়না।
প্রসবের পর মায়ের দেহে ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরণের মাত্রা হঠাৎ করেই কমে যায়, ফলে প্রোল্যাকটিন আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে। পাশাপাশি একইসাথে স্তনে অবস্থিত রক্তনালীগুলোতে রক্তপ্রবাহ বেড়ে যায়, বাড়তি রক্ত অতিরিক্ত কাঁচামাল বয়ে নিয়ে আসে, এতে করে দুগ্ধ উৎপাদনের হারও বেড়ে যায়।
প্রসঙ্গত জেনে রাখুন-
প্রাথমিক অবস্থায় মায়ের দুধে কোলোস্ট্রাম নামক উচ্চ-প্রোটিন এবং কম চর্বি বিশিষ্ট একধরণের উপাদান থাকে, এটি নবজাতকের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। একারণেই শিশুকে শালদুধ পান করানো গুরুত্বপূর্ণ।