2 Answers
ভাষাকে সহজ-সাবলীল, মাধুর্যময়, ব্যন্জনাময় ও ঐশ্বর্যময় করাই উচ্চারণ। বাংলা ভাষায় বিশুদ্ধ বা প্রমিত উচ্চারণের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। অমাদের দেশে বিভিন্ন অন্চলে বিভিন্ন আন্চলিক ভাষায় কথা বলা হয়, যা কেবল ঐ নির্দিষ্ট অন্চল বা সমাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। সেজন্য সব অন্চলের মানুষের জন্য সর্বজনমান্য ও সারা দেশে অভিন্ন একটি আদর্শ ভাষা গড়ে ওঠে। দেশের শিক্ষিত ও পন্ডিত সমাজ এ ভাষায় মনের ভাব আদান পদান করে থাকেন। আমরা নিজ নিজ সমাজে নিজ নিজ ভাষা ব্যবহার করলেও শিক্ষিত পরিবেশে, আনুষ্ঠানিক পরিমন্ডলে, সর্বস্তরে পাঠ্যবই, সংবাদপত্র, প্রকাশনালয়, অফিস-আদালতে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সর্বত্র প্রমিত চলিত বা এ আদর্শ ভাষার প্রচলন রয়েছে। বেতার, টিভি, বক্তৃতামঞ্চ ইলেকট্রনিক মিডিয়া এ ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। ফলে বাংলা ভাষায় প্রমিত উচ্চারনের প্রয়োজনীয়তাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রতিটি শব্দ সঠিকভাবে বলার জন্য উচ্চারণ প্রয়োজন।
বাংলা ভাষায় অনেক বর্ণের চেহরা ও রূপ এক হলেও সেগুলোর উচ্চারণ এক নয়।যেমন- শ, স, ষ, র, ড়, ঢ় এগুলো সঠিক উচ্চারণের জন্য প্রয়োজন সঠিক স্থান থেকে বর্ণ উচ্চারণ।
উচ্চারণের ভিভ্রান্তি এড়ানোর জন্য শুদ্ধ উচ্চারণ অপরিহার্য।
যেমন:
অকর্মক এর সঠিক উচ্চারণ অকরমোক [অ+ক+র+(হসন্ত)+ মো+ক(হসন্ত)]
নিচে কিছু উচ্চারণ দেওয়া হলো:
শব্দ__________উচ্চারণ
১.উপস্থিত - উপোসথিত (স ও ত তে হসন্ত হবে)
২.দরখাস্ত - দরখাসতো (র ও স তে হসন্ত হবে)
স্বল্প - শলপো (ল তে হসন্ত হবে)
৩.লাবণ্য - লাবোননো (ন তে হসন্ত হবে)
৪.বৈশাখ - বোইশাখ (খ তে হসন্ত হবে)