5 Answers
তওবা মানে হলো নিজের দোষ স্বীকার করা, অনুতপ্ত হওয়া, পুণরায় ভুল না করা। তওবা করার নিয়ম : হে আল্লাহ, আমি এই ভুল কাজটি (ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত, শয়তানের প্রচনায়, জেনে বা না জেনে) করেছি। তুমিতো গাফুর রহিম। মাফ করতে ভালোবাসো। দয়া করে আমার গুণাহ সমূহ মাফ করে দাও। আমি আর এই ভূল কাজ কখনো করব না । আমার দ্বারা এই ভুল কাজ কখনো সংঘটিত হবেনা | এভাবে তওবা করতে পারেন। আশা করি মাফ পাওয়া যেতে পারে। তবে ওয়াদা ভঙ্গ করা যাবেনা।
১. পাপ কাজ করা বন্ধ করতে হবে। এখন শুধু মুখে মুখে তওবা করি, কয়েকদিন পর থেকে পাপ কাজটা ছেড়ে দেবো – এ রকম হলে তওবা হবে না।
২. অতীতের সমস্ত পাপ কাজ ও ভুল ত্রুটি আল্লাহর কাছে স্বীকার করে তাঁর কাছে অনুতপ্ত ও লজ্জিত হতে হবে।
৩. অন্তরে ঐকাজগুলোর প্রতি ঘৃণা রেখে সেইগুলোতে আর ফিরে না যাওয়ার জন্য প্রতিজ্ঞা করতে হবে।
৪. লজ্জিত ও অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে সমস্ত গুনাহ খাতার জন্য “ইস্তিগফার” করতে হবে (মাফ চাইতে হবে) + “তওবা” করতে হবে (গুনাহ করা বন্ধ করে আল্লাহর কাছে ফিরে আসতে হবে)।
৫. কারো হক্ক নষ্ট করে থাকলে তাকে তার হক্ক ফিরিয়ে দিতে হবে, অথবা যেইভাবেই হোক, সামর্থ্য না থাকলে অনুরোধ করে, ক্ষমা চেয়ে তার কাছ থেকে মাফ করিয়ে নিতে হবে।
উল্লেখ্য, তওবা করলে আল্লাহ সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেন, এমনকি কারো পাপ আকাশ পর্যন্ত পৌঁছে গেলেও আল্লাহ তাকে মাফ করে দেবেন। কিন্তু বান্দার কোনো হক্ক নষ্ট করলে সেটা বান্দা মাফ না করলে তিনি মাফ করবেন না।
৬. অন্তরে আশা রাখতে হবে, যে আমি গুনাহগার কিন্তু আল্লাহ গাফুরুর রাহীম – অতীব ক্ষমাশীল ও দয়ালু। সুতরাং তিনি আমার তওবা কবুল করবেন।
৭. তওবা করার পরে প্রাণপণে চেষ্টা করতে হবে পাপ কাজ থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকতে, এবং সাধ্য অনুযায়ী বেশি বেশি করে নেকীর কাজ করার চেষ্টা করতে হবে।
৮. যে পাপ কাজ থেকে তওবা করা হলো (সমস্ত পাপ কাজ থেকেই তওবা করা ফরয), কোনো ভুলে বা কুপ্রবৃত্তির কারণে পাপ কাজটা করে ফেললে সাথে সাথে আবার তওবা করে সেটা থেকে ফিরতে হবে। এইভাবে যখনই কোনো পাপ হবে সাথে সাথেই তওবা করতে হবে, মৃত্যু পর্যন্ত।
এছাড়াও এখানে দেখতে পারেন।
তওবা হলো পাপ মাপের একমাত্র উপায়। তওবা ঐ জিনিস যে পাপের জন্য তওবা করতে চান। ঐ পাপ আর না করা এবং কোন পাপই না করা। এবং অতীতের পাপ ভুলে গিয়ে আপনি নতুন করে। নিজের জীবন গড়বেন। আর সুন্দর করে আমলকে গোসাবেন। আর সবসময় ইস্তিগফার পড়বেন।
তোওবা করার জন্য জন্য কয়েকটি শর্ত পূরণ করতে হবে, তাহলেই আল্লাহ তাআ’লা সেই তোওবা কবুল করবেন। ১. পাপ কাজ করা বন্ধ করতে হবে। এখন শুধু মুখে মুখে তোওবা করি, কয়েকদিন পর থেকে পাপ কাজটা ছেড়ে দেবো – এ রকম হলে তোওবা হবে না। ২. অতীতের সমস্ত পাপ কাজ ও ভুল ত্রুটি আল্লাহর কাছে স্বীকার করে তাঁর কাছে অনুতপ্ত ও লজ্জিত হতে হবে। ৩. অন্তরে ঐকাজগুলোর প্রতি ঘৃণা রেখে সেইগুলোতে আর ফিরে না যাওয়ার জন্য প্রতিজ্ঞা করতে হবে। ৪. লজ্জিত ও অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে সমস্ত গুনাহ খাতার জন্য “ইস্তিগফার” করতে হবে (মাফ চাইতে হবে) + “তোওবা” করতে হবে (গুনাহ করা বন্ধ করে আল্লাহর কাছে ফিরে আসতে হবে)। ৫. কারো হক্ক নষ্ট করে থাকলে তাকে তার হক্ক ফিরিয়ে দিতে হবে, অথবা যেইভাবেই হোক, সামর্থ্য না থাকলে অনুরোধ করে, ক্ষমা চেয়ে তার কাছ থেকে মাফ করিয়ে নিতে হবে। উল্লেখ্য, তোওবা করলে আল্লাহ সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেন, এমনকি কারো পাপ আকাশ পর্যন্ত পৌঁছে গেলেও আল্লাহ তাকে মাফ করে দেবেন। কিন্তু বান্দার কোনো হক্ক নষ্ট করলে সেটা বান্দা মাফ না করলে তিনি মাফ করবেন না। ৬. অন্তরে আশা রাখতে হবে, যে আমি গুনাহগার কিন্তু আল্লাহ গাফুরুর রাহীম – অতীব ক্ষমাশীল ও দয়ালু। সুতরাং তিনি আমার তোওবা কবুল করবেন। ৭. তোওবা করার পরে প্রাণপণে চেষ্টা করতে হবে পাপ কাজ থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকতে, এবং সাধ্য অনুযায়ী বেশি বেশি করে নেকীর কাজ করার চেষ্টা করতে হবে। ৮. যে পাপ কাজ থেকে তোওবা করা হলো (সমস্ত পাপ কাজ থেকেই তোওবা করা ফরয), কোনো ভুলে বা কুপ্রবৃত্তির কারণে পাপ কাজটা করে ফেললে সাথে সাথে আবার তোওবা করে সেটা থেকে ফিরে হবে। এইভাবে যখনই কোনো পাপ হবে সাথে সাথেই তোওবা করতে হবে, মৃত্যু পর্যন্ত। ৯. কারো তোওবা কবুল হয়েছে কিনা এটা কিভাবে বুঝবেন ? অনেক আলেম এ সম্পর্কে বলেনঃ কারো যদি তোওবা করার পরের জীবন আগের জীবন থেকে ভালো হয় অর্থাত পাপের কাজ অনেক কমে যায় ও ভালো কাজ বৃদ্ধি পায় তাহলে আশা করা যেতে পারে – তার তোওবা আল্লাহর দরবারে কবুল হয়েছে। কিন্তু কারো যদি এমন না হয় অর্থাত, তোওবার আগের ও পরের জীবনে কোনো পার্থক্য না থাকে তাহলে বুঝতে হবে তার তোওবাতে ত্রুটি আছে। তার উচিত হতাশ না হয়ে – বার বার আন্তরিকতার সাথে খালেস নিয়তে তোওবা করা, আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া। আল্লাহ আমাদের সবাইকে আন্তরিক তোওবা করার তোওফিক দান করুন। কি দুয়া পড়ে তোওবা করতে হবে? আমাদের দেশের মানুষকে তোওবার দোয়া নামে যে দোয়া শেখানো হয় তা হলোঃ “আস্তাগফিরুল্লা হা রাব্বি মিন কুল্লি যামবিও ওয়া আতুবু ইলাইহি, লা হা’উলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলায়্যিল আযীম”। এটা একটা দোয়া, কিন্তু সমস্যা হলো কোরান- হাদীসের কোথাও এই দোয়া খুঁজে পাওয়া যায়না! তার মানে এই দোয়া হলো হুজুরের বানানো দোয়া, ম্যান মেইড!! অনেকে যুক্তি দেখাতে পারেন, দোয়াতো দোয়াই, আল্লাহর কাছে একভাবে চাইলেই হবে। তাদেরকে বলবোঃ ১. নবী (সাঃ) আমাদেরকে যেই দোয়া শিখিয়ে গেছেন, তা না শিখিয়ে হুজুরের বানানো দোওয়া কেনো শেখানো হবে? হুজুর কি নবীর থেকে ভালো দোয়া বানাতে পারে (নাউযুবিল্লাহ)। ২. হুজুরের দোয়া পড়লে কতটুকু নেকী পাওয়া যাবে? কোনো গ্যারান্টি আছে হুজুরের বানানো দোয়া আল্লাহ কবুল করবেন? উত্তর হচ্ছেঃ না, নাই। আসলে এগুলো একটা ষড়যন্ত্র। মানুষকে কুরান হাদীস ছেড়ে হুজুরের বানানো ভুয়া ইসলাম শেখানোর জন্য। যেই দোয়া পড়ে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তোওবা করতেন ও আমাদেরকে পড়তে বলছেনঃ “আরবী ছবিতে দেখুন” উচ্চারণঃ ” আসতাগফিরুল্লা- হাল আ’যীমাল্লাযী লা- ইলা- হা ইল্লা হুওয়াল হা’ইয়ুল ক্বাইয়ূমু ওয়া আতুবু ইলাইহি। অর্থঃ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। যিনি ছাড়া ইবাদতের আর কোন যোগ্য উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী। আমি তাঁর কাছে তোওবা করছি। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ “যেই ব্যক্তি এই দোয়া পড়বে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেবেন, যদিও সে জিহাদের ময়দান থেকে পলাতক আসামী হয়”। (অর্থাত, সে যদি বড় রকমের গুনাহগার হয়, তবুও আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন।) তিরমিযী ৪/৬৯, আবুদাঊদ ২/৮৫, মিশকাত হা/২৩৫৩, হাদীসটি সহীহঃ সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৭২৭। (হিসনুল মুসলিমের ২৮৬ নাম্বার পৃষ্ঠায় এই দুয়া পাবেন।) হুজুরের বানানো দুয়া থেকে রাসুলুলুল্লাহ (সাঃ) এর দুয়া বেশি দামী। অলসতা করবেন না। তোওবার মতো এতো গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়, আমি চাই যেই এই লেখা পড়বেন – এই দুয়াটা মুখস্থ করে নিয়মিত উঠতে বসতে, যখনই মনে পড়বে বেশি বেশি করে এই দুয়া পড়ে আল্লাহর কাছে মাফ চাইবেন।
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بَعْدَ إِيمَٰنِهِمْ ثُمَّ ٱزْدَادُوا۟ كُفْرًا لَّن تُقْبَلَ تَوْبَتُهُمْ وَأُو۟لَٰٓئِكَ هُمُ ٱلضَّآلُّونَ
উচ্চারণঃ ইন্নাল্লাযীনা কাফারূ বা‘দা ঈমা-নিহিম ছু ম মাঝ দা-দূ কুফরাল্লান তুকবালা তাওবাতুহুম ওয়া উলাইকা হুমুদ্দাললূন।
অর্থঃ যারা ঈমান আনার পর অস্বীকার করেছে এবং অস্বীকৃতিতে বৃদ্ধি ঘটেছে, কস্মিণকালেও তাদের তওবা কবুল করা হবে না। আর তারা হলো গোমরাহ।
Playstore Link:
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.muslim.quran_bangla
সূরা আল ইমরান (آل عمران), আয়াত: ৯১
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَمَاتُوا۟ وَهُمْ كُفَّارٌ فَلَن يُقْبَلَ مِنْ أَحَدِهِم مِّلْءُ ٱلْأَرْضِ ذَهَبًا وَلَوِ ٱفْتَدَىٰ بِهِۦٓ أُو۟لَٰٓئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ وَمَا لَهُم مِّن نَّٰصِرِينَ
উচ্চারণঃ ইন্নাললযীনা কাফারু ওয়ামা-তূওয়া হুম কুফফা-রুন ফালাইঁ ইউকবালা মিন আহাদিহিম মিলউল আরদিযাহাবাওঁ ওয়ালাবিফতাদা-বিহী উলাইকা লাহুম ‘আযা-বুন আলীমুওঁ ওয়ামা-লাহুম মিন না-সিরীন।
অর্থঃ যদি সারা পৃথিবী পরিমাণ স্বর্ণও তার পরিবর্তে দেয়া হয়, তবুও যারা কাফের হয়েছে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে তাদের তওবা কবুল করা হবে না। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব! পক্ষান্তরে তাদের কোনই সাহায্যকারী নেই।
Playstore Link:
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.muslim.quran_bangla
সূরা আন নিসা (النّساء), আয়াত: ১৭
إِنَّمَا ٱلتَّوْبَةُ عَلَى ٱللَّهِ لِلَّذِينَ يَعْمَلُونَ ٱلسُّوٓءَ بِجَهَٰلَةٍ ثُمَّ يَتُوبُونَ مِن قَرِيبٍ فَأُو۟لَٰٓئِكَ يَتُوبُ ٱللَّهُ عَلَيْهِمْ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًا
উচ্চারণঃ ইন্নামাত তাওবাতু‘আলাল্লা-হি লিল্লাযীনা ইয়া‘মালূনাছ ছূআ বিজাহা-লাতিন ছুম্মা ইয়াতূবূনা মিন কারীবিন ফাউলাইকা ইয়াতূবুল্লা-হু ‘আলাইহিম ওয়া কা-নাল্লা-হু ‘আলীমান হাকীমা।
অর্থঃ অবশ্যই আল্লাহ তাদের তওবা কবুল করবেন, যারা ভূলবশতঃ মন্দ কাজ করে, অতঃপর অনতিবিলম্বে তওবা করে; এরাই হল সেসব লোক যাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। আল্লাহ মহাজ্ঞানী, রহস্যবিদ।
Playstore Link:
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.muslim.quran_bangla
সূরা আন নিসা (النّساء), আয়াত: ১৮
وَلَيْسَتِ ٱلتَّوْبَةُ لِلَّذِينَ يَعْمَلُونَ ٱلسَّيِّـَٔاتِ حَتَّىٰٓ إِذَا حَضَرَ أَحَدَهُمُ ٱلْمَوْتُ قَالَ إِنِّى تُبْتُ ٱلْـَٰٔنَ وَلَا ٱلَّذِينَ يَمُوتُونَ وَهُمْ كُفَّارٌ أُو۟لَٰٓئِكَ أَعْتَدْنَا لَهُمْ عَذَابًا أَلِيمًا
উচ্চারণঃ ওয়া লাইছাতিত্তাওবাতুলিল্লাযীনা ইয়া‘মালূনাছ ছাইয়িআ-তি হাত্তাইযা-হাদারা আহাদাহুমুল মাওতুকা-লা ইন্নী তুবতুল আ-না ওয়ালা ল্লাযীনা ইয়ামূতূনা ওয়াহুম কুফফারুন উলাইকা আ‘তাদনা-লাহুম ‘আযা-বান আলীমা।
অর্থঃ আর এমন লোকদের জন্য কোন ক্ষমা নেই, যারা মন্দ কাজ করতেই থাকে, এমন কি যখন তাদের কারো মাথার উপর মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন বলতে থাকেঃ আমি এখন তওবা করছি। আর তওবা নেই তাদের জন্য, যারা কুফরী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। আমি তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি।
Playstore Link:
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.muslim.quran_bangla
সূরা আন নিসা (النّساء), আয়াত: ১৪৬
إِلَّا ٱلَّذِينَ تَابُوا۟ وَأَصْلَحُوا۟ وَٱعْتَصَمُوا۟ بِٱللَّهِ وَأَخْلَصُوا۟ دِينَهُمْ لِلَّهِ فَأُو۟لَٰٓئِكَ مَعَ ٱلْمُؤْمِنِينَ وَسَوْفَ يُؤْتِ ٱللَّهُ ٱلْمُؤْمِنِينَ أَجْرًا عَظِيمًا
উচ্চারণঃ ইল্লাল্লাযীনা তা-বূওয়া আসলাহূওয়া‘তাসামুবিল্লা-হি ওয়া আখলাসূদীনাহুম লিল্লা-হি ফাউলাইকা মা‘আল মু’মিনীনা ওয়া ছাওফা ইউ’তিল্লা-হুল মু’মিনীনা আজরান ‘আজীমা-।
অর্থঃ অবশ্য যারা তওবা করে নিয়েছে, নিজেদের অবস্থার সংস্কার করেছে এবং আল্লাহর পথকে সুদৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে আল্লাহর ফরমাবরদার হয়েছে, তারা থাকবে মুসলমানদেরই সাথে। বস্তুতঃ আল্লাহ শীঘ্রই ঈমানদারগণকে মহাপূণ্য দান করবেন।
Playstore Link:
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.muslim.quran_bangla