নানা-নাতির মধ্যে আলাপ হচ্ছে। নানা নাতিকে তার বীরত্বের কাহিনী বয়ান করছেন। “প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়ে আমি বেশ বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করেছিলাম। একবার শত্রুপক্ষের ছোড়া গ্রেনেড থেকে একদল যোদ্ধা আমার সাহসিকতার দ্বারা প্রাণে বাঁচে। শত্রুদের ছোড়া গ্রেনেড ফাটার আগেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তা আমি ছুড়ে ফেলে দেই। ফলে অনেক যোদ্ধা প্রাণে বাঁচে। যুদ্ধের পরপর আমাকে বীরত্বের স্বিকৃতি স্বরূপ একটি তরবারি উপহার দেয়া হয়। এতে খোদাই করে লেখা ছিল - 

"ধন্য ধন্য! প্রথম বিশযুদ্ধের অনন্য বীর ধন্য তোমার জীবন" 
কাহিনী শুনে একটু মাথা চুলকে নাতি নানাকে বলল , নানা তুমি মিথ্যা বলছ । নানা প্রথমে রেগে গেলেও পরে নাতির যুক্তি শুনে একই সাথে লজ্জা পেল এবং নাতির বুদ্ধিতে গর্ব অনুভব করল। নাতি কি করে বুঝল নানা মিথ্যা বলেছে ?
3066 views

2 Answers

কারন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের যোদ্ধা হলে এখনো বেঁচে থাকার কথা নয়।

3066 views
লক্ষ করুন :-
যুদ্ধের পরপর আমাকে বীরত্বের স্বিকৃতি স্বরূপ একটি তরবারি উপহার দেয়া হয়। এতে খোদাই করে লেখা ছিল -
"ধন্য ধন্য! প্রথম বিশযুদ্ধের অনন্য বীর ধন্য তোমার জীবন"

.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ হওয়ার পরপরই কেউই জানতে পারবে না যে এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ । কারণ ঐ যুদ্ধটি তখনই প্রথম বিশ্বযুদ্ধ হিসেবে বিবেচিত হবে যখন দ্বীতিয় আরেকটি বিশ্বযূদ্ধ হবে ।
.
এ থেকে নাতি স্পষ্ট বুঝে যায় নানার কথা তরবারির কাহিনী মিথ্যে বা যুদ্ধ করাও মিথ্যা,,,
3066 views

Related Questions