1 Answers

১। প্যারামেডিকেল শব্দটি এখন আর ব্যবহার করা হয় না। এখন এটা হয়েছে ইন্সটিটিউট অফ মেডিকেল টেকনোলজি। এখানে পড়তে চাইলে সাইন্স থেকে জিপিএ ৩.৫ থাকতে হয়। ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে চান্স পেলে সরকারি প্রতিষ্ঠান এ পড়া যায়। এখন অনেক বেসরকারি IMT হয়েছে, সেখানে এতো নিয়ম নেই। নিকটবর্তী কোথাও গিয়ে জেনে নিতে পারেন পড়ার কী নিয়ম।

http://answers.priyo.com/question/12785

২। নিম্নে একটি প্যারামেডিকেল ইন্সটিটিউট সংশ্লিষ্ট বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হলো। আশা করি এতে আপনার প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর পেয়ে যাবেন।

ইনষ্টিটিউট অব মেডিক্যাল এন্ড প্যারামেডিকেল টেকনোলজী সিলেট

এটি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের একটি অনুমোদিত স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি শুধুমাত্র স্বাস্থ্য শিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক সার্টিফিকেট কোর্স এবং ডিপ্লোমা কোর্স প্রদান করে থাকে। ইবনে আকন্দ ফাউন্ডেশনের একটি প্রকল্প এটি, প্রতিষ্ঠাকাল ২০০৬।


কোর্স এবং পাঠ্য পরিচিতি

  • এখানে কোর্স সংশ্লিষ্ট ফার্মেসী ব্যবস্থাপনা, মেডিসিন, সার্জারী, স্ত্রীরোগ ও ধাত্রী বিদ্যা, এনাটমি ফিজিওলজি, কমিউনিটি মেডিসিন, ফার্মাকোলজী, নাক-কান-গলা রোগ, প্যাথলজী এবং ফাষ্ট এইড (প্রাথমিক চিকিত্সা) পড়ানো হয়।
  • এছাড়াও এখানে স্যালাইন দেওয়া, জ্বর মাপা, ব্লাড প্রেসার মাপা, রেকর্ড মেইনটেইন করা, কম্পিউটারের মাধ্যমে ফার্মেসীর হিসাব করা ইত্যাদি প্র্যাকটিকেল শেখানো হয়।
  • উল্লেখযোগ্য কোর্সের মধ্যে অন্যতম
  • ডিপ্লোমা ইন প্যারামেডিকেল কোর্স (৩ বছর মেয়াদী);
  • সার্টিফিকেট ইন ল্যাব টেকনোলজী (১ বছর মেয়াদী) এবং
  • সার্টিফিকেট ইন প্যারামেডিকেল টেকনোলজী (১ বছর মেয়াদী)।
  • এছাড়া অন্যান্য কোর্সগুলোর মধ্যে রয়েছে ফার্মা টেকনোলজি, ইসিজি/অপট্রমেট্রি, ইন্টিগ্রেটেড মেডিসিন, ডেন্টাল, প্যাথলজী, রেডিওলজি এক্সরে, ফিজিওথেরাপী, আল্ট্রাসনোগ্রাফি এবং পেশেন্ট কেয়ার। উল্লেখিত কোর্সগুলো বিভিন্ন মেয়াদী।

 

ভর্তি সংক্রান্ত তথ্যাবলী

  • প্রতি বছর দুটি সেশনে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি নেওয়া হয়। প্রথম সেশন জানুয়ারী থেকে ডিসেম্বর এবং দ্বিতীয় সেশন জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত।
  • এসএসসি বা সমমান যে কোন সালের পাশকৃত ছাত্র-ছাত্রীরা ভর্তি হতে পারবে। এসএসসি পরীক্ষায় ন্যূনতম ২.৫ জিপিএ পেতে হবে।
  • ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ভর্তি ফরম ক্রয় করতে হয়। ভর্তি ফরমের মূল্য ১০০ টাকা।
  • ভর্তি ফরম পূরন করে এর সাথে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র, মার্কশিট, প্রশংসাপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, জাতীয়তা বা নাগরিকত্ব সনদের সত্যায়িত ফটোকপি, পাসপোর্ট সাইজের ৩ কপি ও ষ্ট্যাম্প সাইজের ৩ কপি সত্যায়িত ছবি এবং অভিভাবকের অনুমতিপত্র জমা দিতে হয়।
  • ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস, সময়সূচী এবং নির্দেশিকা কলেজ কর্তৃপক্ষ সরবরাহ করে থাকে।
  • ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটা (২%) অনুসরণ করা হয়।

 

কোর্স ফি

এখানে পরিচালিত কোর্সের ফি এবং টিউশন ফি বিভিন্ন সময়ে ওঠানামা করে থাকে। ধরাবাধা নিয়মের মধ্যে কোর্সের নির্দিষ্ট কোন ফি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারের অনুরোধে প্রকাশ করা হলো না। তবে প্রতিষ্ঠানের ক্যাটালগে প্রাপ্ত কিছু ফি নিম্নে উল্লেখিত হলো:

  • ভর্তি ফিঃ ৭০০০ টাকা।
  • সেমিষ্টার ফিঃ ৭০০০ টাকা।
  • টিউশন ফিঃ ১০০০ টাকা।

এছাড়াও নির্ধারিত রেজিষ্ট্রেশন ফি, পরীক্ষার ফি এবং অন্যান্য ফি পৃথকভাবে প্রদান করতে হবে। ভর্তির পর পরিশোধিত টাকা ফেরৎযোগ্য নয়।

 

কোর্সের সুবিধাসমূহ

  • অন্যান্য পেশার চেয়ে সম্মানজনক পেশায় নিয়োগ লাভ।
  • কোর্স শেষে ডিপ্লোমা কোর্স করতে সুবিধা হয়।
  • কোর্স শেষে সহজেই সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং এনজিওতে চাকুরী লাভ করা যায়।
  • সমাজ সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করা যায়।
  • ডিপ্লোমা কোর্স শেষে বিএসসি এবং এমএসসি করা যায়।
  • http://www.online-dhaka.com/105_1249_2479_0-institute-of-medical-&-paranedical-technology-dhaka.html
3596 views

Related Questions