2 Answers
মধু ও কালিজিরার গুণাবলি পবিত্র কালামে সূরা নহলে আল্লাহ বলেছেন, ‘ তোমার প্রভুর নির্দেশে মৌমাছিরা বিভিন্ন বাগবাগিচা, ফুল , ফল ইত্যাদি থেকে মধু আহরণ করে এবং সাথে সাথে এই মৌমাছি পরাগায়ণও ঘটায়। ’ আল্লাহ তায়ালা মধু সম্পর্কে বলেছেন, ‘ হিয়া শিফাউ লিন্নাছ। ’ অর্থাৎ এটা রোগের শেফাদানকারী। বোখারি শরিফের হাদিস, ‘কালিজিরা মৃত্যু ব্যতীত সব রোগের অব্যর্থ ওষুধ। ’ নব্বইয়ের দশকের কথা। ইস্তাম্বুলে সারা বিশ্বের মুসলিম বিজ্ঞানীদের সম্মেলন চলছে। পাকিস্তানের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউল হক মুসলিম বিজ্ঞানীদের আহ্বান জানালেন , কালিজিরার ওপর ব্যাপক গবেষণা করার জন্য। আজ ক্যান্সার ও এইডস মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে। তাই এটার ওপর আরো ব্যাপক গবেষণার দরকার। হাদিস শরিফে আছে, ‘লি কুল্লি দাইন দাওয়াউন। ’ সব রোগের চিকিৎসা আছে। আল্লাহ পাক যাকে যেখানে পয়দা করেছেন তার আশপাশেই তার চিকিৎসার প্রয়োজনীয় উপাদান রেখেছেন। এটা আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। অর্থাৎ গবেষণা চালিয়ে যেতে হবে। আমাদের প্রিয় নবী সা: প্রতিদিন সকালে এক চা চামচ খাঁটি মধুর শরবত বানিয়ে খেতেন। এটা রোগ প্রতিরোধের সাথে সাথে দেহ-মনকে চাঙ্গা করে। রাসূলুল্লাহ সা: মধুকে মহৌষধ বলেছেন। এটা যেমন বলকারক , সুস্বাদু ও উত্তম উপাদেয় খাদ্যানির্যাস, তেমনি রোগ নিরাময়ের উপাদানও বটে। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যায় , এক কেজি মধু = ৬.৫০ লিটার দুধ অথবা ৭.৫০ কেজি পনির অথবা ১.৬৫ কেজি গোশত অথবা ৪০টি প্রমাণ সাইজের কমলা অথবা ৫০টি ডিমের সমান। এক কেজি মধু ৩২৫০ ক্যালরি শক্তি সরবরাহ করে। মধুর এ উচ্চ শক্তির ক্যালরি কেবল সাধারণ সুগারের মতো নয়, যা রূপান্তর ব্যতীত সরাসরি অন্ত্র থেকে রক্তে সংযোজিত হয়। এভাবে মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের সাথে মিশে রক্তের পরিমাণ বাড়ায়।
প্রতিদিন সকালে মধু ও কালজিরা খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায় ।