1 Answers

কাঠামোগত দিক থেকে ঋণের উৎসকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন: প্রাতিষ্ঠানিক উৎস ও অ-প্রাতিষ্ঠানিক উৎস। প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ বলতে এমন ঋণ নির্দেশ করে, যেসব ঋণ সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের স্বীকৃত আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ জোগান দেয়। ঋণের এসব উৎসকে প্রাতিষ্ঠানিক উৎস বলা হয়। একটি দেশে প্রাতিষ্ঠানিক ঋণদানের বিভিন্ন উৎস থাকে। বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিক উৎসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বাণিজ্যিক ব্যাংক, শিল্প ব্যাংক, কৃষি ব্যাংক, গৃহনির্মাণ ঋণদান সংস্থা, সমবায় ব্যাংক, আমদানি-রপ্তানি ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প ব্যাংক, বাংলাদেশ পুঁজি বিনিয়োগ সংস্থা, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাসমূহ, গ্রামীণ ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের উৎস হিসেবে কাজ করে। এগুলোর মধ্যে বিশ্ব ব্যাংক, এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল, ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। অ-প্রতিষ্ঠানিক ঋণ বলতে এমন সব ঋণ নির্দেশ করে, যেসব ঋণ ব্যক্তি পর্যায়ে জোগান দেওয়া হয়। বাংলাদেশে অ-প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের উৎসগুলো হলো গ্রাম্য মহাজন, দাদন ব্যবসায়ী, বিত্তশালী কৃষক, গ্রাম্য ব্যবসায়ী, দোকানদার, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন ইত্যাদি।

6415 views