1 Answers
প্রেম করার জন্য গার্লফ্রেন্ড খুব বাছবিচার করে না খুঁজলেও বিয়ে করার জন্য বউ অনেক বাছবিচার করে খুঁজতেই পছন্দ করেন বাংলাদেশের পুরুষরা। বউ যেন অনেক ভালো, সুন্দর আর পরিবারের প্রিয় হয় এর জন্য চলে খোঁজাখুজির ঢের আয়োজন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেউ ভালো বউ পায় কেউ পায় না। তাছাড়া একেক জেলার মানুষের সম্পর্কে যেমন একটা ধারণা রয়েছে তেমনি একেক জেলার মেয়েদের সম্পর্কেও রয়েছে বেশ কিছু মজাদার তথ্য। জেনে নিন কোন জেলার মেয়েরা কেমন বৈশিষ্ট্যের হয়ে থাকে।
পুরান ঢাকা : পুরান ঢাকার মেয়েরা খুবই দিলখোশ। ঢাকার অন্য এলাকার মেয়েরা জগাখিচুরি।
দিনাজপুর : দিনাজপুরের মেয়েরা যে খুব সুন্দরী হয়।
বগুড়া : বগুরার মেয়েরা ঝাল।
টাংগাইল : টাঙ্গাইলের মেয়েরা খুব ভাল হয়, বান্ধুবী হিসেবেতো বটেই, পাত্রী হিসেবেও। .এ অঞ্চলের মাইয়াগুলো দুনিয়ার বজ্জাত… তবে বান্ধবী হিসাবে ভালু..একটু দিলখোলা টাইপের।
নরসিংদী : নরসিংদীর মেয়েরা উড়াল পঙ্খীর মতো তাদের মন আর চলার ঢং ।
কিশোরগঞ্জ : কিশোরগঞ্জের মেয়েরা একটু বোকাসোকা আর ডেয়ারিং প্রকৃতির। মিশুক, বন্ধুপাগল বা বন্ধুপ্রেমী হয়। স্বামী ভক্ত হয় তবে এমনও হতে পারে যে সারাজীবন বউয়ের দ্বারা নিগৃহীত হওয়া; অসম্ভব কিছু না।
চট্টগ্রাম : চট্রগ্রামের মেয়েরা বাইরের জেলাদের ছেলেদের ব্যাপারে আগ্রহী নয়। কিছুটা কনজারভেটিভ।
সিলেট : সিলেটী মেয়েরা পর্দানশীল বেশী। সিলেটি মেয়েরা সাধারণত বাইরের জেলা তে বিয়ে করতে যায় না। আত্মীয়দের মধ্যে থাকতে পছন্দ করে। সিলেটী মেয়েরা ছ্যাচড়া।
উত্তরবঙ্গ : উত্তরবঙ্গের মেয়েরা কোমলমতী হয় এবং বেকুব ও আনক্রিয়েটিভ ।
খুলনা : খুলনার মেয়েরা স্বামী অন্ত প্রাণ। খুলনার মেয়েরা নাকি ফ্যামিলির ব্যাপারে একটু সিরিয়াস টাইপের হয়৷
কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়ার মেয়েরা অহংকারী, কিন্তু সেই তুলনায় গুনবতী নয়। মননশীল, রুচিসম্পন্ন। যাকে ভালবাসে সত্যিকারের ভালবাসে, কোন রাখঢাক নাই।
যশোর :যশোরের মেয়েরা অনেক সুন্দরী। যশোরের মেয়েরা কুটনামিতে খুব ওস্তাদ হয়, প্রচুর মিথ্যা কথা বলে। আর শ্বশুরবাড়ীর লোকজন সহ্যই করতে পারেনা। পরকিয়াতেও ওস্তাদ যশোরের মেয়েরা।
বরিশাল : বরিশালের মেয়েরা একটু ঝগড়াটে, ভালো রাঁধুনী, ন্যাচালার সুন্দরী , সংসারী এবং স্বামীভক্ত। কিন্তু বরিশাল থেকে সাবধান, যতই সুন্দর হোক, জীবন বরবাদ করে দেবে।
ময়মনসিংহ : ময়মনসিংহের মেয়েরা একটু বোকাসোকা, কেউবা বদমাইশ। কেউ কেউ স্মার্ট এবং ডেয়ারিং।
সিরাজগঞ্জের মেয়েরা ভালো, যদি শান্তিতে ঘর করতে চান।
বি বাড়িয়া : বি বাড়িয়ার মেয়েরা পলটিবাজ কিন্তু পতিভক্ত ও সংসারী
রাজশাহী : রাজশাহীর মেয়েরা একটু লুজ ।
পাবনা : পাবনার মেয়েরা কুটনা হয়ে থাকে।
জামালপুর : জামালপুরের মেয়েরা বেশি স্মার্ট এবং ডেয়ারিং।এই জেলায় সুন্দরীদের ঘনত্ব বেশি।
নোয়াখালী : নোয়াখালীর মেয়েরা বাবা-মা অথবা আত্মীয়-স্বজনদেরকে ভুলতে চাইলে নোয়াখালীর মেয়েদের তুলনা নেই । বেশির ভাগ মেয়ে কারো কথার নিছে থাকতে চায়না । এরা চরম কুটনা হয়। তবে তারা শশুড়বাড়ির জন্য করতে চাইলে নিজের সব দিয়ে করে, না করলে নাই!
ফরিদপুর : ফরিদপুরের মেয়েরা চোরা স্বভাবের।ওদের মত কুটিল প্যাচের মানুষ খুব কমই হয়।
কুমিল্লা : কুমিল্লার মেয়েরা শ্বশুরবাড়ির মানুষদের পছন্দ করেনা।কুমিল্লার মেয়েরা সুন্দরী, অনেক দায়িত্বশীল, তবে সংসারে প্রভাব বিস্তার করতে বেশি পছন্দ করে।
মাদারিপুর : মাদারীপুরের মেয়েরা খুবই কিউট, খুব খরচে, জামাইয়ের পকেট ফাকা করতে উস্তাদ।
চাঁদপুর : চাদপুরের মেয়েরা মানুষ হিসেবে খুবই ভালো, অথিতিপরায়াণ। তাদের সরল ভালবাসায় আপনি মুগ্ধ হবেন। আর শ্বশুরবাড়ী চাঁদপুর হলে ইলিশ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না । আর আসল কথা হলো চাঁদপুরে লোকের মাথায় প্যাচ জিলাপীর থেকেও বেশী। চাদপুরের মেয়েরা ছেলে ঘুরাতে ওস্তাদ।
চাপাই নবাবগঞ্জ : চাপাই নবাবগঞ্জের মেয়েরা সরল মনের অধিকারী।
গাজীপুর : গাজীপুরের মেয়েরা খুব ই ভাল, মিশুক এবং রসিক ।এখাঙ্কার মেয়েরা জেদী, লাজুক ,মিডিয়াম সুন্দর, মিডিয়াম স্মার্ট এবং সংস্কৃতি মনা।
নারায়নগঞ্জ : নারায়নগঞ্জের মেয়েরা অতিশয় ভালো, ভদ্র, সামাজিক, কীভাবে পরিবার আর মুরুব্বিদের সামলাতে হয় তারা খুব ভালো জানে। সংসারে ঝামেলাহীন য়ার সবসময় হাসি-খুশি, মিলেমিশে থাকে এমন বউ আনতে চাইলে নারায়নগঞ্জের মেয়েরাই সেরা।
(সংগৃহীত)