1 Answers
কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের আসল কারণ খুঁজে বের করা কোনও ডাক্তারের পক্ষে অত্যন্ত জরুরি। এটি নির্ধারণ করতে যেসব টেস্ট বা পরীক্ষা করা হয়: হৃদযন্ত্রের সক্রিয়তা পর্যবেক্ষণ এবং হৃদস্পন্দনে কোনও রকম অস্বাভাবিক ছন্দ ও লক্ষণ ধরা পড়ছে কিনা তা জানার জন্য ইসিজি করা হয়। খনিজ পদার্থ, রাসায়নিক এবং হরমোনের মাত্রা ঠিক আছে কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য রক্ত পরীক্ষা করা হয় হৃদযন্ত্রের আকার, আয়তন ও স্বাস্থ্য ঠিক আছে কি না, অথবা কোনও ক্ষতি হয়েছে কি না, তা জানার জন্য ইমেজিং টেস্ট বা প্রতিবিম্বকরণ পরীক্ষাগুলি করা হয়। এক্ষেত্রে যেসব পরীক্ষার সাহায্য নেওয়া হয়: হৃদযন্ত্রের প্রকোষ্ঠের অস্বাভাবিকতা এবং রক্ত পাম্প করার ক্ষমতা যাচাই করার জন্য ইকোকার্ডিওগ্রাম করা হয় শব্দ তরঙ্গের সাহায্যে রক্তপ্রবাহ ঠিক আছে কিনা তা দেখার জন্য নিউক্লিয়ার স্ক্যান করা হয় হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের অবস্থা ও তা বিকল হয়ে পড়েছে কিনা তা জানার জন্য বুকের এক্স-রে করা হয় হৃদযন্ত্রের ছন্দের অস্বাভাবিকতার কারণ ও রক্তপ্রবাহের পথ কেন অবরুদ্ধ হয়েছে, তা খুঁজে বের করতে এবং হৃদযন্ত্র ঠিক কতোটা সবল আছে, তা নির্ণয় করতে অ্যাঞ্জিওগ্রাম, ইলেক্ট্রোফিজিওলজিক্যাল ম্যাপিং এবং টেস্টিং এবং ইজেকশন ফ্র্যাকশন টেস্টের সাহায্য নেওয়া হয় কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের চিকিৎসা 2 ধরণের হয়: যে অবস্থায় রোগীর কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়েছে, তাকে তৎক্ষণাৎ সেখানেই চিকিৎসা প্রদান করা জরুরি যাতে তাকে জীবিত রাখা যায় এবং তাঁর বেঁচে থাকা নিশ্চিত করার জন্য। প্রাথমিক কয়েক মিনিটের মধ্যে সিপিআর দেওয়া জরুরি, যাতে আক্রান্তের শরীরে অক্সিজেনের প্রবাহ বজায় থাকে এবং চিকিৎসা সাহায্য এসে পৌঁছনো পর্যন্ত রোগীকে বাঁচিয়ে রাখা যায় ডিফাইব্রিলেশনের জন্য রোগীকে ইলেক্ট্রিক শক দেওয়া হয় যাতে তার হৃদয় আবার স্বাভাবিক ছন্দে কাজ শুরু করে।