1 Answers
যে ঘটনার কারণে এই ফ্র্যাকচারটি হয়েছে চিকিৎসক তার ইতিহাস জানতে চাইবেন,এবং এর সঙ্গে অন্য কোনও রোগের চিকিত্সা চলছে কিনা, ক্লিনিকাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে কিনা তা জানতে চাইবেন এবং আক্রান্ত গোড়ালিটির আরো পরীক্ষা করে মূল্যায়ন করতে চাইবেন। ফ্র্যাকচারটি এক্স -রের মাধ্যমে পরীক্ষা করে দেখা যেতে পারে। সিটি স্ক্যান ও এমআরআই স্ক্যানের মতো আরও অন্যান্য পরীক্ষাও করা হতে পারে। অস্ত্রপচার প্রয়োজন কিনা জানার জন্য স্ট্রেস পরীক্ষা বল প্রয়োগ করে পরীক্ষাও করা হতে পারে। চিকিৎসা পদ্ধতির মধ্যে অন্তরভুক্ত রয়েছে: অস্ত্রপচার পদ্ধতিঃ গোড়ালি স্থানচ্যুত হয়ে যাওয়ার জন্য বা চামড়া ভেদ করে হাড় বেরিয়ে আসা। অস্ত্রপচার ছাড়া অন্য পদ্ধতি: আক্রান্ত পায়ের উপর বরফ ব্যবহার করা এবং পাটিকে উপর দিকে তুলে রাখা, কারণ এটি ব্যাথা ও ফোলাভাব কমায়। আক্রান্ত গোড়ালিতে স্প্লিন্ট বা ঠেস ব্যবহার করলে কিছুটা উপকার হতে পারে, যদি হাড় স্থানচ্যুত না হয় তবেই। পায়ের ওপর বেশি ভর না দেওয়া এবং সম্পূর্ণ বিশ্রাম নেওয়া। পায়ে ইমমোবাইলাইজার ব্যবহার করা বা প্লাসটার ব্যাবহার করার ফলে কোনরকম নড়াচড়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। কিছু অ্যানালজেসিক এবং স্টেরয়েড বিহীন ব্যাথা কমানোর ওষুধ (এনএসএআইডি) ব্যাথা এবং জ্বালা বা যন্ত্রণা কমাতে ব্যাবহার করা যেতে পারে। দ্রুত ফল পাওয়ার জন্য ওষুধের মধ্যমে সুস্থ হওয়ার সঙ্গে শারীরিক চিকিৎসা বা ব্যায়ামও করা যেতে পারে। গোড়ালিতে ফ্র্যাকচার কোনরকম দীর্ঘস্থায়ী অবস্থা নয় এবং এটি আক্রান্ত পায়ের পাতাটির সঠিক যত্ন ও সেবার মাধ্যমে নির্মূল করা যেতে পারে।