1 Answers
কালো জ্বর দুইভাবে নির্ণয় করা হয় উপসর্গগত: উপরে বলা উপসর্গগুলো খুঁটিয়ে নির্ণয় করা হয় এবং এর উপর লক্ষ রাখা হয়। পরীক্ষাগারে: প্যরাসাইট বা পরজীবীর বিরুদ্ধে তৈরি অ্যান্টিবডিগুলিকে দেখার জন্য সেরোলজিক্যাল পরীক্ষা করা হয় যেটাতে বায়োপসি বা কাল্চারের মাধ্যমে হাড়ের মজ্জা/স্প্লিন/লিম্ফ নোড বা লসিকা গ্রন্থির টিস্যুর নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এটা নিশ্চিত সনাক্তকরণ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। রোগীর শরীরে প্যরাসাইটকে নষ্ট করার জন্য অ্যান্টি-প্যরাসাইট ওষুধ দেওয়া হয়। কালো জ্বরের প্রথম মৌখিক ওষুধ হল মিল্টিফোসিন। এটা রোগীদের ক্ষেত্রে 95% কার্যকর। কালো জ্বরের টিকা বা এটা আটকানোর ওষুধ এখনো বেরোয়নি তাই যখন কোনো এন্ডেমিক এলাকা যেমন, সাব- সাহারান দেশ, এশিয়া, দক্ষিণ ইউরোপ এবং আমেরিকায় যাবেন তখন সাবধানতা অবলম্বন করা দরকার। যখন এইসব এন্ডেমিক এলাকায় যাবেন তখন নিজের যেসমস্ত যত্ন নেবার দরকার তার মধ্যে রয়েছে, ফুলহাতা শার্ট ও প্যান্ট পড়া। পোকামাকড় দূরে রাখার স্প্রে ব্যবহার করবেন এবং সন্ধ্যায় ও রাতে যখন বালি মাছি প্রচন্ড সক্রিয় থাকে তখন বাইরে বেরোবেন না।