2 Answers
পর্ণ স্টাররা কিভাবে এ পেশায় জড়িয়ে পড়ে তা সমাজ বিজ্ঞানীরা বের করেছেন কিছু সম্ভাব্য উত্তর। দূর্ঘটনাবশত নায়িকা হওয়ার লোভে অনেকেই মিডিয়া জগতের দিকে পা বাড়ায়। তাদেরকে প্রতারনা করে কিংবা নায়িকা হওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বলা হয়ে থাকে যে দুই/একটা পর্ণোগ্রাফিতে অভিনয় করলেই মূল ধারার সিনেমায় নায়িকা হওয়ার সুযোগ মিলবে। এই ধরণের প্রলোভনের প্রস্তাবে যারা পা বাড়িয়ে দেয়, তারাই ক্রমে ক্রমে হয়ে ওঠে পর্নস্টার। আর যারা এই ধরণের প্রস্তাবে প্রলুব্ধ হয় না, তাদের কেউ কেউ আগেই সরে আসে আবার কেউ কেউ পড়ে প্রতারনা বা ব্ল্যাক মেইল এর ফাঁদে। অর্থ ও খ্যাতির লোভ অর্থের লোভে যখন কোনো নারী মরিয়া হয়ে ওঠে তখন তার ভুল পথে পা বাড়ানোর সম্ভাবনা থাকবেই। পর্ণ সিনেমায় যারা অভিনয় করে তাদেরকে মোটা অংকের পারিশ্রমিক দেয়া হয়ে থাকে। আর তাই টাকার লোভে নারীরা এসব সিনেমাতে অভিনয় করতে রাজী হয়ে যান। এক দিন কাজ করেই প্রচুর টাকা কামানো যায় বলে টাকার লোভে পড়ে নিজের চরিত্র বিসর্জন দিতে একটুও দ্বিধা করেন না এ ধরণের লোভী নারীরা। আর তাই এই পথে পা বাড়িয়ে তারা হয়ে ওঠে পর্ণস্টার। নিমফোম্যানিয়াক পর্ণস্টার হয়ে ওঠার পেছনে সবচেয়ে অদ্ভুত কারণটি হলো নিমফোম্যানিয়াক হওয়া। নিমফোম্যানিয়াক হলো অতিরিক্ত কাম আসক্তি। অতিরিক্ত শারীরিক চাহিদা পূরণ করার জন্য নিমফোম্যানিয়াকে আক্রান্ত নারীরা পর্ণ সিনেমায় অভিনয়ের দিকে ঝুঁকে পড়েন। অনেক সময় এই শারীরিক চাহিদাকে আরো বাড়িয়ে তোলার জন্য বিভিন্ন রকমের মাদকও সেবন করেন তারা, যা কিনা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। শারীরিক চাহিদা পূরণের জন্য বিকৃত এই পেশায় নিজেকে জড়িয়ে একই সঙ্গে যৌনতা ও অর্থ দুটোই উপভোগ করেন তারা। প্রতিশোধ শুনতে অদ্ভুত শোনালেও সত্যি যে অনেক নারী পর্ন স্টার হয় পুরনো প্রেমিকের প্রতারণার প্রতিশোধ নিতে গিয়ে। প্রেমিকের প্রতারণা সইতে না পেরে কোনো কোনো নারী পর্নোগ্রাফির পেশায় জড়িয়ে পড়েন। আর এই পেশায় একবার পা দিয়ে ফেলার পর ফিরে আসারও তেমন কোনো উপায় থাকে না। তাই এটাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তারা।
পর্ণ স্টাররা কিভাবে এ পেশায় জড়িয়ে পড়ে তা সমাজ বিজ্ঞানীরা বের করেছেন কিছু সম্ভাব্য উত্তর। দূর্ঘটনাবশত নায়িকা হওয়ার লোভে অনেকেই মিডিয়া জগতের দিকে পা বাড়ায়। তাদেরকে প্রতারনা করে কিংবা নায়িকা হওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বলা হয়ে থাকে যে দুই/একটা পর্ণোগ্রাফিতে অভিনয় করলেই মূল ধারার সিনেমায় নায়িকা হওয়ার সুযোগ মিলবে। এই ধরণের প্রলোভনের প্রস্তাবে যারা পা বাড়িয়ে দেয়, তারাই ক্রমে ক্রমে হয়ে ওঠে পর্নস্টার। আর যারা এই ধরণের প্রস্তাবে প্রলুব্ধ হয় না, তাদের কেউ কেউ আগেই সরে আসে আবার কেউ কেউ পড়ে প্রতারনা বা ব্ল্যাক মেইল এর ফাঁদে। অর্থ ও খ্যাতির লোভ অর্থের লোভে যখন কোনো নারী মরিয়া হয়ে ওঠে তখন তার ভুল পথে পা বাড়ানোর সম্ভাবনা থাকবেই। পর্ণ সিনেমায় যারা অভিনয় করে তাদেরকে মোটা অংকের পারিশ্রমিক দেয়া হয়ে থাকে। আর তাই টাকার লোভে নারীরা এসব সিনেমাতে অভিনয় করতে রাজী হয়ে যান। এক দিন কাজ করেই প্রচুর টাকা কামানো যায় বলে টাকার লোভে পড়ে নিজের চরিত্র বিসর্জন দিতে একটুও দ্বিধা করেন না এ ধরণের লোভী নারীরা। আর তাই এই পথে পা বাড়িয়ে তারা হয়ে ওঠে পর্ণস্টার। নিমফোম্যানিয়াক পর্ণস্টার হয়ে ওঠার পেছনে সবচেয়ে অদ্ভুত কারণটি হলো নিমফোম্যানিয়াক হওয়া। নিমফোম্যানিয়াক হলো অতিরিক্ত কাম আসক্তি। অতিরিক্ত শারীরিক চাহিদা পূরণ করার জন্য নিমফোম্যানিয়াকে আক্রান্ত নারীরা পর্ণ সিনেমায় অভিনয়ের দিকে ঝুঁকে পড়েন। অনেক সময় এই শারীরিক চাহিদাকে আরো বাড়িয়ে তোলার জন্য বিভিন্ন রকমের মাদকও সেবন করেন তারা, যা কিনা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। শারীরিক চাহিদা পূরণের জন্য বিকৃত এই পেশায় নিজেকে জড়িয়ে একই সঙ্গে যৌনতা ও অর্থ দুটোই উপভোগ করেন তারা। প্রতিশোধ শুনতে অদ্ভুত শোনালেও সত্যি যে অনেক নারী পর্ন স্টার হয় পুরনো প্রেমিকের প্রতারণার প্রতিশোধ নিতে গিয়ে। প্রেমিকের প্রতারণা সইতে না পেরে কোনো কোনো নারী পর্নোগ্রাফির পেশায় জড়িয়ে পড়েন। আর এই পেশায় একবার পা দিয়ে ফেলার পর ফিরে আসারও তেমন কোনো উপায় থাকে না। তাই এটাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তারা। সূত্রঃ priyo
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy