3 Answers
আপনি কোনোভাবেই কোরআন শরীফ নিয়ে কসম কাটতে পারেন না । আর আপনি কি নিয়ে কসম কাটছেন তা একবারো চিন্তা করেছেন কি ? যার পায়ের নিচেই আপনার শেষ ঠিকানা তাকে কিভাবে আপনি অবহেলা/এড়িয়ে চলতে পারেন ? আপনি যত জলদি সম্ভব আপনার মায়ের কাছে ক্ষমা চান আপনার সকল দূর্ব্যবহারের জন্য । এবং আল্লাহর কাছেও তওবা করে ক্ষমা চান এই ধরনের নাফরমানি কাজের জন্য । নিশ্চয় আল্লাহ পরম দয়ালু এবং ক্ষমাশীল । আর একটি কথা মা যতোই খারাপ হউক না কেনো তার সাথে বেয়াদবি করা যাবে না ।
কুরআন শরিফের কসম খেলে তা কসম হিসেবেই গন্য হবে। আর কসম খাওয়ার পর অকারনে তা ভঙ্গ করা বৈধ নয়। কিন্তু মা-বাবার সাথে সদাচরন করা সন্তানের কর্তব্য। এমনকি তারা অমুসলিম হলেও। তাই আপনি এই কসম ভঙ্গ করবেন এবং তার কাফফরা আদায় করে দিবেন। ১০জন দরিদ্রকে দুই বেলা খাওয়ানো বা ১০ দরিদ্রকে পোষাক দেয়ার মাধ্যমে অথবা ইচ্ছা হলে ১০ জনের ২ বেলা খাবারের মূল্য (পৌনে দুই সের গমের বাজার মূল্য) দিয়ে দিতে পারেন। আর আল্লাহ তা'য়ালার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন। ভবিশ্যত জীবনে এমন কাজ না করার দৃঢ় সিন্ধান্ত নিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল। কেফায়াতুল মুফতি:খন্ড নং-২ পৃষ্টা নং-২৩৯,২৪০.
এখানে আপনি দুটি ভুল করেছেন। প্রথমত আপনি কুরআন ছুয়ে কসম করেছেন। কুরআন ছুয়ে কসম করার কোন বিধান ইসলামে নেই। কসম হতে হবে একমাত্র আল্লাহর নামে। আর দ্বিতীয় ভুল হচ্ছে আপনি মায়ের সাথে কথা না বলার কসম করেছেন। যা একটি জঘন্য খারাপ কাজ। ইসলামে কোন খারাপ কাজের কসম ভঙ্গ করা জায়েজ। যেহেতু মায়ের সাথে কথা না বলার বিষয়টি একটি খারাপ কাজ সেহেতু আপনি কসম ভঙ্গ করতে পারবেন কোন সমস্যা নেই।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy