কোন পন্ডিত চর্যাপদের পদগুলো টীকার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেন?

কোন পন্ডিত চর্যাপদের পদগুলো টীকার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেন? সঠিক উত্তর মুনিদত্ত

মুনিদত্ত চর্যাপদের পদগুলো টীকার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেন। চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও প্রাচীনতর রচনা এটি। খ্রিষ্টীয় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত এই গীতিপদাবলির রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তাঁরা পদগুলো রচনা করেছিলেন। বাংলা সাধন সংগীত শাখাটির সূত্রপাতও হয়েছিলো এই চর্যাপদ থেকেই। সে বিবেচনায় এটি একটি ধর্মগ্রন্থজাতীয় রচনা। একই সঙ্গে সমকালীন বাংলার সামাজিক ও প্রাকৃতিক চিত্রাবলি এই পদগুলোতে উজ্জ্বল। এর সাহিত্যগুণ এখনও চিত্তাকর্ষক। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চর্যাপদের সঙ্গে বাংলা ভাষার অনস্বীকার্য যোগসূত্র বৈজ্ঞানিক যুক্তিসহ প্রতিষ্ঠিত করেন।

Related Questions

কোন পন্ডিত চর্যাপদের পদগুলি টীকার মাধ্যামে ব্যাখ্যা করেন?
কোন পণ্ডিত চর্যাপদের পদ্গুলো টীকার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেন?
চর্যাপদের পদগুলো মূলত-
‘আমি তো এসেছি চর্যাপদের অক্ষরগুলো থেকে’ এখানে ‘চর্যাপদের অক্ষরগুলো’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
“আমি তো এসেছি চর্যাপদের অক্ষরগুলো থেকে'— এখানে 'চর্যাপদের অক্ষরগুলো' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?