১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকে বাংলাদেশের কোন ভাস্করের শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে স্থান পায়?

১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকে বাংলাদেশের কোন ভাস্করের শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে স্থান পায়? সঠিক উত্তর হামিদুজ্জামান খান

হামিদুজ্জামান খান একজন খ্যাতিমান বাংলাদেশী শিল্পী ও ভাস্কর। ফর্ম, বিষয়ভিত্তিক ও নিরীক্ষাধর্মী ভাস্কর্যের জন্য তিনি সুপরিচিত। মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত একাত্তর স্মরণে শীর্ষক কাজের জন্য তিনি ভাস্কর হিসেবে ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশে খ্যাতি লাভ করেন। পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের রাজধানী সিউলে অলিম্পিক ভাস্কর্য পার্কে ভাস্কর্য স্থাপনের মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক পরিসরে পরিচিতি অর্জন করেন।
Bissoy MCQ

Related Questions

' স্টেপস' ভাস্কর্যটি সিউল অলিম্পিকের পার্কে স্থান পেয়েছিল। এর ভাস্করের নাম -----
’ষ্টেপস ‘ নামের যে ভাস্কর্যটি সিউল অলিম্পিক পার্কে স্থান পেয়েছে তার ভাস্কর হলেন--
বাংলাদেশের খ্যাতনাম মহিলা ভাস্করের নাম কী?
বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট মহিলা ভাস্করের নাম কী?
বার্সোলোনা অলিম্পিক চিত্র প্রদর্শনীতে কোন শিল্পী অংশগ্রহণ করেন?
. ২০২১ সালের টোকিও অলিম্পিকে প্রথম স্বর্ণপদক জয় করেন কে?