বায়োগ্যাস প্লান্টে হাঁস-মুরগীর মল ও পানির অনুপাত কত?

বায়োগ্যাস প্লান্টে হাঁস-মুরগীর মল ও পানির অনুপাত কত? সঠিক উত্তর 1:3

বায়োগ্যাস প্লান্ট এক ধরনের সাশ্রয়ী প্রযুক্তি। আর বিকল্প শক্তি উৎসের সন্ধানে এই বায়োগ্যাস প্রযুক্তি হতে পারে আমাদের দেশে আশীর্বাদস্বরূপ। সাশ্রয়ী প্রযুক্তির এই বায়োগ্যাস প্লান্ট এর বিস্তৃতি ও প্রসার আমাদের দেশের জন্য ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে আসতে সক্ষম। এই পরিবর্তনই আমাদের দেশে সাফল্য বয়ে আনবে নি:সন্দেহে! শহরাঞ্চলে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে প্রাকৃতিক গ্যাস। কিন্তু সেক্ষেত্রে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে জ্বালানী হিসেবে খড়-কুটা ও কাঠ এবং অন্যান্য জ্বালানী ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে এক্ষেত্রে সাম্প্রতিক সময়ে চমক সৃষ্টি করেছে বায়োগ্যাস প্লান্ট। এই প্রযুক্তি রান্না-বান্না ছাড়াও ঘর-গৃহস্থালীতে আলো এনে দিয়েছে। বায়োগ্যাস প্লান্ট চালু করার সময় ১.৫/২ টন কাঁচামাল যথা গোবর, অন্যান্য বর্জ্য, গাছের লতা-পাতা জাতীয় পচনশীল পদার্থের প্রয়োজন। প্লান্ট তৈরির শুরুর দিকে এগুলো জমা করে রাখলে প্লান্ট চালুর সময় এগুলো ব্যবহার করা যাবে। অবশ্য কেউ যদি ২/১ দিনেই উক্ত পরিমান কাঁচামাল যোগাড় করতে পারেন, তবে আগে থেকে জমা করে রাখার প্রয়োজন হয় না। জমাকৃত কাঁচামাল এবং পরিষ্কার পানি গোবরের ক্ষেত্রে ১:১ হাঁস-মুরগির মলের ক্ষেত্রে ১:৩ অনুপাতে মিশিয়ে ইনলেট পাইপ দিয়ে আস্তে আস্তে কূপে ঢালতে হবে। এই বায়োগ্যাস প্লান্ট চার্জ করার সময় প্লান্ট সম্পূর্ণ ভর্তি না হলে সেক্ষেত্রে বাকি অংশ পানি দিয়ে ভরে করতে হবে।

Related Questions