গঠনরীতিতে ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্য মূলত-

পদাবলি
ধামালী
প্রেমগীত
নাট্যগীতি

সঠিক উত্তর: নাট্যগীতি

গঠননৈপুণ্যের দিক থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের অধিকাংশ পদই কৃষ্ণ - রাধা - বড়ায়ির সংলাপ। কোনো কোনাে পদ দুজনের উক্তি - প্রত্যুক্তি এবং রাধা বা কৃষ্ণের একান্ত মনোভাব প্রকাশ করে । যেহেতু কথোপকথনে মনোভাবের ঘাত - প্রতিঘাত প্রকাশ পেয়েছে তাই এগুলোকে গানে রচিত নাটকীয় সংলাপ ও বলা যায়। রসগত দিক থেকে সমগ্র কাব্যজুড়ে ধামালি প্রধান হয়ে উঠেছে। ধামালি কথাটির অর্থ রঙ্গরস, পরিহাস বাক্য, কৌতুক। রঙ্গ তামাসার কালে কপট দম্ভ প্রকাশ করে যে সব উক্তি করা হয়, প্রাচীন বাংলা সাহিত্যে তাকে ধামালি বলে। বড়ুচণ্ডীদাস তার বিবরণে লিখেছেন - 'রঙ্গে ধামালি বোলে দেব বনমালী' । শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আঙ্গিক বা গঠনগত দিক থেকে নাটগীতি ,প্রকরণে পদাবলি, শোণিত প্রেমগীতি ও রস সঞ্চালনায় ভূমিকা পালন করেছে ধামালি।
Bissoy MCQ

Related Questions

গঠনরীতিতে “শ্রীকৃষ্ণকীর্তন” কাব্য মূলত---
"শ্রীকৃষ্ণকীর্তন" কাব্য কে রচনা করেন?
মধ্যযুগের প্রথম কাব্য “শ্রীকৃষ্ণকীর্তন”-এর রচিয়তা কে?
”শ্রীকৃষ্ণকীর্তন” কাব্য রচনা করেন-
”শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য”--- খানি আবিষ্কৃত হয় কোথায়?
মধ্যযুগের প্রথম কাব্য'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' এর রচয়িতা কে?
’শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য’ কে রচনা করেন?
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য’ কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল?
'খাটা লোকের নাটা বুদ্ধি ।' প্রবাদটির গঠনরীতিতে কোন সূত্র কাজ করেছে?
মাইকেল মধুসূদন দত্তের ' বীরাঙ্গনা কাব্য ' কোন ধরনের কাব্য?

Next steps