কোনটি অনুসর্গ নয়?
কোনটি অনুসর্গ নয়? সঠিক উত্তর অন্য
‘অনু’ কথাটির অর্থ পরে বা পশ্চাতে, আর ‘সর্গ’ মানে সৃষ্টি বা ব্যবহার। সুতরাং সাধারণভাবে অনুসর্গ বলতে বোঝায় যা পরে ব্যবহূত হয়। উপসর্গ যেমন ধাতুর আগে বসে, অনুসর্গ তেমন পদের পরে বসে। যেসব অব্যয় বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে পৃথকভাবে বসে শব্দ বিভক্তির মতো তাদের কারক - সম্বন্ধ নির্ধারণ করে, তাদের অনুসর্গ বলা হয়। কেবল বিভক্তির মতো কারক - সম্বন্ধ নির্দেশ করলে তবেই তাদের অনুসর্গ বলে। অনুসর্গের বৈশিষ্ট্য:অনুসর্গের কতগুলো নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে। নিচে বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরা হলো—১. অনুসর্গ অব্যয় পদ। এগুলোর অর্থ আছে। ২. অনুসর্গ শব্দের পরে বসে ওই শব্দের সঙ্গে পরবর্তী শব্দের সম্পর্ক সৃষ্টি করে। ৩. বিভক্তি দিয়ে যেমন কারক চেনা যায়, তেমনি অনুসর্গ দিয়েও কারক চেনা যায়। ৪. অব্যয়গুলোর নিজস্ব অর্থ থাকায় সেগুলো পৃথকভাবে ব্যবহূত হলে অনুসর্গ হয় না। ৫. অনুসর্গর পূর্ব পদটি বিশেষ্য হলে সেটি বিভক্তিযুক্ত হতে পারে, আবার না - ও হতে পারে। কিন্তু সর্বনাম হলে বিভক্তিযুক্ত হবেই। ৬. অনুসর্গ বিভক্তির মতো কাজ করে। ৭. কতগুলো অনুসর্গ শব্দ - বিভক্তির মতো ব্যবহূত হয়ে কারক নির্ণয়ে সাহায্য করে। এগুলো হচ্ছে: হইতে, হতে, চেয়ে, দ্বারা, দিয়া, দিয়ে, কর্তৃক ইত্যাদি। ৮. অনুসর্গের ব্যবহার কোনো কোনো সাধু ও চলিত ভাষারীতির ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন রূপ হতে পারে
মোঃ আরিফুল ইসলাম
Feb 20, 2025