'বড়র পিরিতি বালির বাঁধ ক্ষনেকে হাতে দড়ি, ক্ষনেকে চাঁদ' ---প্রবাদটি কি অর্থে ব্যবহৃত হয়?

'বড়র পিরিতি বালির বাঁধ ক্ষনেকে হাতে দড়ি, ক্ষনেকে চাঁদ' ---প্রবাদটি কি অর্থে ব্যবহৃত হয়? সঠিক উত্তর কোনোটিই নয়

বড় - ছোট'র শাশ্বত ব্যবধান অগ্রাহ্য করা শুধু বোকামি নয়, রীতিমতো ধৃষ্টতাও বলা চলে। শ্রেণি ভেদাভেদই সমাজের শৃঙ্খলা রক্ষা করে। তবে বড়রা অর্থাৎ সমাজের ধনিক শ্রেণি, সমাজের মাথা - মুরুবি্বরা সাধারণ জনগণ ও তৃণমূলের জন্য খুবই দরকারি। কিন্তু তারা সাধারণ জনগণ ও দুঃখী - দরিদ্রদের জন্য কতটা নির্ভরযোগ্য সেটা ভাববার বিষয়। সময় এবং পরিস্থিতির পরিবর্তনে কখনো তাদের ভালোবাসা, তাদের কর্তব্য চাঁদের মতো জ্যোৎস্না বিকিরণ করে। বাস্তবতাকে উপেক্ষা করা বা ছোটর অধিকার বঞ্চিত করা তাদের খেয়ালের ব্যাপার। অধীনস্ত বা দুঃখী - দরিদ্রদের দুঃখ - কষ্টকে গুরুত্ব দিলে তাদের চলে না। বড়দের বড় বড় চিন্তায় এই ক্ষুদ্র ব্যাপারগুলো ঠাঁই পায় না।

Related Questions

‘বড়র পিরিতি বালির বাঁধ ক্ষনেকে হাতে দড়ি, ক্ষনেকে চাঁদ’- প্রবাদটি কি অর্থে ব্যবহৃত হয়?
'বড়র পিরীতি বালির বাঁধ! ক্ষণে হাতে দড়ি , ক্ষণেক চাঁদ " --- চরণ দুটি কার লেখা?
বড়র পীরিতি বালির বাঁধ বাগধারাটির অর্থ হচ্ছে-
”বড়র পীরিতি বালির বাঁধ” বাগধারাটির সঠিক অর্থ-
‘বড়র পিরীতি বালির বাঁধ' বাগধারাটির অর্থ হচ্ছে-
”বড়র পীরিতি বালির বাঁধ” বাগধারাটির সঠিক অর্থ---
‘হাতে হাতে ফল পাওয়া’ বাক্যাংশে ‘হাতে হাতে’ হলো
'হাতে হাতে ফল পাওয়া' বাক্যাংশে 'হাতে হাতে' হলো-