ওয়া না-দা-আসহা-বুল জান্নাতি আসাহা-বান্না-রি আন কাদ ওয়াজাদনা-মা-ওয়া‘আদানারব্বুনা-হাক্কান ফাহাল ওয়াজাততুম মা-ওয়া‘আদা রব্বুকুম হাক্কান ক-লূনা‘আম ফাআযযানা মুআযযিনুম বাইনাহুম আল লা‘নাতুল্লা-হি ‘আলাজ্জা-লিমীন।উচ্চারণ
তারপর জান্নাতের অধিবাসীরা জাহান্নামের অধিবাসীদেরকে ডেকে বলবেঃ “আমাদের রব আমাদের সাথে যে সমস্ত ওয়াদা করেছিলেন তার সবগুলোকেই আমরা সঠিক পেয়েছি, তোমাদের রব যেসব ওয়াদা করেছিলেন, তোমরাও কি সেগুলোকে সঠিক পেয়েছো?” ৩৪ তাফহীমুল কুরআন
আর জান্নাতবাসীগণ জাহান্নামীদেরকে ডেকে বলবে, আমাদের প্রতিপালক আমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, আমরা তো তা সত্য পেয়েছি। এবার (তোমরা বল), তোমাদের প্রতিপালক তোমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তোমরাও কি তাকে সত্য পেয়েছ? তারা উত্তরে বলবে, হাঁ। এমনই সময় তাদের মধ্যে এক ঘোষক ঘোষণা করবে, আল্লাহর লানত জালেমদের প্রতি-মুফতী তাকী উসমানী
আর জান্নাতের অধিবাসীগণ আগুনের অধিবাসীদেরকে ডাকবে যে, ‘আমাদের রব আমাদেরকে যে ওয়াদা দিয়েছেন তা আমরা সত্য পেয়েছি। সুতরাং তোমাদের রব তোমাদেরকে যে ওয়াদা দিয়েছেন, তা কি তোমরা সত্যই পেয়েছ’? তারা বলবে, ‘হ্যাঁ’। অতঃপর এক ঘোষক তাদের মধ্যে ঘোষণা দেবে যে, আল্লাহর লা’নত যালিমদের উপর’।মুজিবুর রহমান
জান্নাতীরা দোযখীদেরকে ডেকে বলবেঃ আমাদের সাথে আমাদের প্রতিপালক যে ওয়াদা করেছিলেন, তা আমরা সত্য পেয়েছি? অতএব, তোমরাও কি তোমাদের প্রতিপালকের ওয়াদা সত্য পেয়েছ? তারা বলবেঃ হ্যাঁ। অতঃপর একজন ঘোষক উভয়ের মাঝখানে ঘোষণা করবেঃ আল্লাহর অভিসম্পাত জালেমদের উপর।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
জান্নাতবাসিগণ দোজখবাসীদেরকে সম্বোধন করে বলবে, ‘আমাদের প্রতিপালক আমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন আমরা তো তা সত্য পেয়েছি। তোমাদের প্রতিপালক তোমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তোমরা তা সত্য পেয়েছ কি?’ তারা বলবে, ‘হ্যাঁ’। এরপর জনৈক ঘোষণাকারী তাদের মধ্যে ঘোষণা করবে, ‘আল্লাহ্ র লা‘নত জালিমদের ওপর- ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তখন জান্নাতবাসীরা জাহান্নামবাসীদেরকে (উপহাস করে) বলবেঃ আমাদের রাব্ব যেসব অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি আমাদেরকে দিয়েছিলেন, আমরা বাস্তবে তা সত্য রূপে পেয়েছি, তোমরাও কি তোমাদের রাব্বের ও‘য়াদা সত্য ও বাস্তব রূপে পেয়েছো? তখন তারা বলবেঃ হ্যাঁ পেয়েছি। অতঃপর জনৈক ঘোষক ঘোষণা করবে, যালিমদের উপর আল্লাহর অভিসম্পাত।আল-বায়ান
জান্নাতবাসীরা জাহান্নামবাসীদেরকে সম্বোধন করে বলবে যে, ‘আমাদেরকে আমাদের প্রতিপালক যে ওয়া‘দা দিয়েছিলেন তা আমরা ঠিক ঠিক পেয়েছি। আর তোমরাও কি তোমাদের প্রতিপালকের ওয়া‘দা ঠিক মত পেয়েছ?’ তারা বলবে, ‘হাঁ’। তখন একজন ঘোষণাকারী তাদের মাঝে ঘোষণা করবে যে, যালিমদের উপর আল্লাহর অভিশাপতাইসিরুল
আর জান্নাতবাসীরা আগুনের বাসিন্দাদের ডেকে বলবে -- "আমরা নিশ্চয়ই পেয়েছি আমাদের প্রভু আমাদের কাছে যা ওয়াদা করেছিলেন তা সত্য, তোমরাও কি তবে তোমাদের প্রভু যা ওয়াদা করেছিলেন তা সত্য পেয়েছ?" তারা বলবে -- "হাঁ।" তখন জনৈক মুওজ্জিন তাদের মধ্যে ঘোষণা করবে -- "আল্লাহ্র ধিক্কার হোক দুরাচারীদের উপরে --মাওলানা জহুরুল হক
৩৪
অর্থাৎ এ আ'রাফাবাসীরা হবে এমন একদল লোক, যাদের জীবনের ও কর্মকাণ্ডের ইতিবাচক বা ভাল দিক এত বেশী শক্তিশালী হবে না, যার ফলে তারা জান্নাত লাভ করতে সক্ষম হয়, আবার এর নেতিবাচক বা খারাপ দিকও এত বেশী খারাপ হবে না, যার ফলে তাদের জাহান্নামে নিক্ষেপ করা যেতে পারে। তাই তারা জান্নাত ও জাহান্নামের মাঝখানে একটি সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করবে।
৪৪. আর জান্নাতবাসীগণ জাহান্নামবাসীদেরকে সম্বোধন করে বলবে, আমাদের রব আমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন আমরা তো তা সত্য পেয়েছি। তোমাদের রব তোমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তোমরা তা সত্য পেয়েছ কি? তারা বলবে, ‘হ্যাঁ। অতঃপর একজন ঘোষণাকারী তাদের মধ্যে ঘোষণা করবে, আল্লাহর লা'নত যালিমদের উপর–
(৪৪) বেহেশ্তবাসীরা দোযখবাসীদেরকে আহবান করে বলবে, ‘আমাদের প্রতিপালক আমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, আমরা তা সত্য পেয়েছি। তোমাদের প্রতিপালক তোমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তোমরা তা সত্য পেয়েছ কি?’(1) ওরা বলবে, ‘হ্যাঁ।’ অতঃপর জনৈক ঘোষণাকারী তাদের নিকট ঘোষণা করবে, ‘অত্যাচারীদের উপর আল্লাহর অভিসম্পাত।
(1) এই কথাটাই নবী করীম (সাঃ) সেই কাফেরদেরকে সম্বোধন করে বলেছিলেন, যারা বদরের যুদ্ধে মারা গিয়েছিল এবং যাদের লাশগুলো একটি কুঁয়ায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল। তাদেরকে সম্বোধন করলে উমার (রাঃ) বলেছিলেন, ‘আপনি এমন লোকদেরকে সম্বোধন করছেন, যারা ধ্বংস হয়ে গেছে!’ তখন নবী করীম (সাঃ) বলেছিলেন, ‘‘আল্লাহর শপথ! তাদেরকে আমি যা বলছি, তা তারা তোমাদের থেকেও আরো ভালভাবে শুনছে। তবে তাদের এখন উত্তর দেওয়ার শক্তি নেই।’’
(মুসলিম, জান্নাত অধ্যায়)