وَإِسۡمَٰعِيلَ وَٱلۡيَسَعَ وَيُونُسَ وَلُوطٗاۚ وَكُلّٗا فَضَّلۡنَا عَلَى ٱلۡعَٰلَمِينَ

ওয়া ইছমা‘ঈলা ওয়ালইয়াছা‘আ ওয়াইঊনুছা ওয়া লূতাওঁ ওয়া কুল্লান ফাদ্দালনা‘আলাল ‘আ-লামীন।উচ্চারণ

(তাঁরই বংশ থেকে) ইসমাঈল, আল ইয়াসা, ইউনুস ও লূতকে (পথ দেখিয়েছি) । তাদের মধ্য থেকে প্রত্যেককে আমি সমস্ত দুনিয়াবাসীর ওপর মর্যাদা সম্পন্ন করেছি। তাফহীমুল কুরআন

এবং ইসমাঈল, ইয়াসা, ইউনুস ও লুতকেও। তাদের সকলকে আমি বিশ্বের সকল মানুষের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছিলাম।মুফতী তাকী উসমানী

আর ইসমাঈল, ঈসা, ইউনুস ও লূত - এদের প্রত্যেককেই আমি নবুওয়াত দান করে সমগ্র বিশ্বের উপর মহত্ত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি।মুজিবুর রহমান

এবং ইসরাঈল, ইয়াসা, ইউনূস, লূতকে প্রত্যেককেই আমি সারা বিশ্বের উপর গৌরবাম্বিত করেছি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আরও সৎপথে পরিচালিত করেছিলাম ইস্মাঈল, আল্-য়াসা‘আ, ইয়ূনুস্ ও লূতকে; আর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছিলাম বিশ্বজগতের ওপর প্রত্যেককে- ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর ইসমাঈল, আল ইয়াসা‘, ইউনুস ও লূতকে। প্রত্যেককে আমি সৃষ্টিকুলের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি।আল-বায়ান

আর ইসমাঈল, আল ইয়াসা‘আ, ইউনুস ও লূত- এদের প্রত্যেককে আমি বিশ্বজগতে জাতিসমূহের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছিলাম।তাইসিরুল

আর ইসমাইল, আর ইয়াসাআ ও ইউনুস, আর লূত। আর সবাইকে আমরা মানবগোষ্ঠীর উপরে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছিলাম।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৮৬. এবং ইসমা’ঈল, আল-ইয়াসা, ইউনুস ও লূতকেও (হিদায়াত দিয়েছিলাম) আর তাদের প্রত্যেককে আমরা শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছিলাম সৃষ্টিকুলের উপর।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৮৬) আরো সৎপথে পরিচালিত করেছিলাম ইসমাঈল, য়্যাসা’, ইউনুস ও লূতকে এবং প্রত্যেককে বিশ্ব-জগতের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছিলাম।