وَمَا نُرۡسِلُ ٱلۡمُرۡسَلِينَ إِلَّا مُبَشِّرِينَ وَمُنذِرِينَۖ فَمَنۡ ءَامَنَ وَأَصۡلَحَ فَلَا خَوۡفٌ عَلَيۡهِمۡ وَلَا هُمۡ يَحۡزَنُونَ

ওয়া মা-নুরছিলুল মুরছালীনা ইল্লা-মুবাশশিরীনা ওয়া মুনযিরিনা ফামান আ-মানা ওয়া আসলাহা ফালা-খাওফুন ‘আলাইহিম ওয়ালা-হুম ইয়াহঝানূন।উচ্চারণ

আমি যে রসূল পাঠাই তা তো কেবল এ জন্যই পাঠাই যে, তারা সৎকর্মশীলদের জন্য সুসংবাদ দানকারী এবং দুষ্কৃতকারীদের জন্য ভীতি প্রদর্শনকারী হবে। তাফহীমুল কুরআন

আমি রাসূলগণকে তো কেবল (সৎ কর্মের ক্ষেত্রে পুরস্কারের) সুসংবাদদাতা এবং (অবাধ্যতার ক্ষেত্রে আল্লাহর আযাব সম্পর্কে) ভীতি প্রদর্শনকারীরূপেই পাঠিয়ে থাকি। সুতরাং যারা ঈমান আনে ও নিজেকে সংশোধন করে, তাদের কোন ভয় থাকবে না এবং তারা দুঃখিতও হবে না।মুফতী তাকী উসমানী

আমি রাসূলদেরকে শুধু এ উদ্দেশে পাঠিয়ে থাকি যে, তারা (সৎ লোকদেরকে) সুসংবাদ দিবে এবং (অসৎ লোকদেরকে) ভয় দেখাবে। সুতরাং যারা ঈমান এনেছে ও চরিত্র সংশোধন করেছে তাদের জন্য কোন ভয়-ভীতি থাকবেনা এবং তারা চিন্তিতও হবেনা।মুজিবুর রহমান

আমি পয়গম্বরদেরকে প্রেরণ করি না, কিন্তু সুসংবাদাতা ও ভীতি প্রদর্শকরূপে অতঃপর যে বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সংশোধিত হয়, তাদের কোন শঙ্কা নেই এবং তারা দুঃখিত হবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আমি রাসূলগণকে তো শুধু সুসংবাদবাহী ও সতর্ককারীরূপেই প্রেরণ করি। কেউ ঈমান আনলে ও নিজকে সংশোধন করলে তার কোন ভয় নেই আর সে দুঃখিতও হবে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আমি রাসূলদেরকে কেবল সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে প্রেরণ করি। অতএব যারা ঈমান এনেছে ও শুধরে নিয়েছে, তাদের উপর কোন ভয় নেই এবং তারা চি‎‎ন্তিত হবে না।আল-বায়ান

আমি তো রসূলদেরকে কেবল সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী করে পাঠিয়েছি, অতঃপর (রসূলের আনুগত্য করে) যারা ঈমান আনে ও নিজেকে সংশোধন করে তাদের নেই কোন ভয়, নেই তাদের কোন দুঃখ।তাইসিরুল

আর কোনো বাণীবাহককে আমরা পাঠাই না সুসংবাদদাতারূপে ও সতর্ককারীরূপে ভিন্ন। অতএব যে কেউ ঈমান আনে ও সৎকাজ করে তাদের উপরে থাকবে না কোনো ভয়ভীতি, আর তারা করবে না অনুতাপ।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৪৮. আর আমরা রাসূলগণকে তো শুধু সুসংবাদবাহী ও সতর্ককারীরূপেই প্রেরণ করি। অতঃপর যারা ঈমান আনবে ও নিজেকে সংশোধন করবে, তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৪৮) রসূলগণকে তো শুধু সুসংবাদবাহী ও সতর্ককারীরূপেই প্রেরণ করি।(1) সুতরাং যে বিশ্বাস করবে ও নিজেকে সংশোধন করবে, তার কোন ভয় নেই এবং সে দুঃখিতও হবে না। (2)

(1) তাঁরা আনুগত্যকারীদেরকে সেই নিয়ামতসমূহের এবং অজস্র নেকীর সুসংবাদ দেন, যা মহান আল্লাহ জান্নাত আকারে তাদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছেন। আর অবাধ্যজনদেরকে সেই আযাব থেকে ভয় দেখান, যা মহান আল্লাহ জাহান্নাম আকারে তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন।

(2) আগামীতে (অর্থাৎ আখেরাতে) আগত অবস্থাসমূহের কোন ভয় তাদের নেই এবং নিজেদের পশ্চাতে দুনিয়াতে যা কিছু ছেড়ে এসেছে অথবা দুনিয়ার যেসব সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য তারা ভোগ করতে পায়নি, তার জন্য তারা দুঃখিত হবে না। কেননা, ইহকাল ও পরকালে তাদের অভিভাবক এবং সাহায্যকারী হলেন দু’জাহানের প্রতিপালক।