ক-লূনুরীদুআন না’কুলা মিনহা-ওয়া তাতমাইন্না কুলূবুনা-ওয়া না‘লামা আন কাদ সাদাকতানা-ওয়া নাকূনা ‘আলাইহা-মিনাশশা-হিদীন।উচ্চারণ
তারা বলেছিল, আমরা কেবল এতটুকুই চাই যে, আমরা সেই খাঞ্চা থেকে খাবার খাবো, আমাদের মন নিশ্চিন্ত হয়ে যাবে এবং আমরা জেনে নেবো যে, আপনি যা কিছু বলেছেন তা সবই সত্য এবং আমরা তার সাক্ষী হয়ে যাবো। তাফহীমুল কুরআন
তারা বলল, আমরা চাই যে, তা থেকে খাব এবং আমাদের অন্তর পরিপূর্ণ প্রশান্তি লাভ করবে এবং আমরা (পূর্বাপেক্ষা অধিক প্রত্যয়ের সাথে) জানতে পারব যে, আপনি আমাদেরকে যা-কিছু বলেছেন তা সত্য, আর আমরা এ বিষয়ে সাক্ষ্যদাতাদের অন্তর্ভুক্ত হব।মুফতী তাকী উসমানী
তারা বললঃ আমাদের উদ্দেশ্য এই যে, আমরা তা থেকে আহার করি এবং আমাদের অন্তর সম্পূর্ণ প্রশান্ত হয়ে যায়, আর আমাদের এই বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় হয় যে, আপনি আমাদের নিকট সত্য বলেছেন এবং আমরা এর প্রতি সাক্ষ্যদানকারীদের অন্তর্ভুক্ত হই।মুজিবুর রহমান
তারা বললঃ আমরা তা থেকে খেতে চাই; আমাদের অন্তর পরিতৃপ্ত হবে; আমরা জেনে নেব যে, আপনি সত্য বলেছেন এবং আমরা সাক্ষ্যদাতা হয়ে যাব।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তারা বলেছিল, ‘আমরা চাই যে, এটা হতে কিছু খাব ও আমাদের চিত্ত প্রশান্তি লাভ করবে। আর আমরা জানতে চাই যে, তুমি আমাদেরকে সত্য বলেছ এবং আমরা এর সাক্ষী থাকতে চাই।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তারা বলল, ‘আমরা তা থেকে খেতে চাই। আর আমাদের হৃদয় প্রশান্ত হবে এবং আমরা জানব যে, তুমি আমাদেরকে সত্যই বলেছ, আর আমরা এ ব্যাপারে সাক্ষীদের অন্তর্ভুক্ত হব।’আল-বায়ান
তারা বলেছিল, আমরা চাই যে আমরা তাত্থেকে কিছু খাব, তাতে আমাদের অন্তর পরিতৃপ্তি লাভ করবে, আর আমরা জানতে পারব যে, আপনি আমাদেরকে সত্য বলেছেন, আর সে ব্যাপারে আমরা সাক্ষী হয়ে থাকব।তাইসিরুল
তারা বলেছিল -- "আমরা চাই যে আমরা যেন তা থেকে আহার করি, আর আমাদের চিত্ত যেন পরিতৃপ্ত হয়, আর যেন আমরা জানতে পারি যে তুমি আমাদের কাছে হককথাই বলেছিলে, আর আমরা যেন সে-বিষয়ে সাক্ষীদের মধ্যেকার হতে পারি।"মাওলানা জহুরুল হক
১১৩. তারা বলেছিল, আমরা চাই যে, তা থেকে কিছু খাব ও আমাদের চিত্ত প্রশান্তি লাভ করবে। আর আমরা জানব যে, আপনি আমাদেরকে সত্য বলেছেন এবং আমরা এর সাক্ষী থাকতে চাই।
(১১৩) তারা বলেছিল, ‘আমাদের ইচ্ছা করে যে, তা থেকে কিছু আমরা খাব ও আমাদের চিত্ত সান্ত্বনা লাভ করবে। আর আমরা জানব যে, তুমি আমাদেরকে সত্য বলেছ এবং আমরা তার সাক্ষী হয়ে যাব।’