أُحِلَّ لَكُمۡ صَيۡدُ ٱلۡبَحۡرِ وَطَعَامُهُۥ مَتَٰعٗا لَّكُمۡ وَلِلسَّيَّارَةِۖ وَحُرِّمَ عَلَيۡكُمۡ صَيۡدُ ٱلۡبَرِّ مَا دُمۡتُمۡ حُرُمٗاۗ وَٱتَّقُواْ ٱللَّهَ ٱلَّذِيٓ إِلَيۡهِ تُحۡشَرُونَ

উহিল্লা লাকুম সাইদুল বাহরি ওয়া তা‘আ-মুহূমাতা-‘আল্লাকুম ওয়া লিছছাইয়ি-রতি ওয়া হুররিমা ‘আলাইকুম সাইদুল বাররি মা-দুমতুম হুরুমাওঁ ওয়াত্তাকুল্লা-হাল্লাযীইলাইহি তুহশারূন।উচ্চারণ

তোমাদের জন্য সমুদ্রের শিকার এবং তা খাওয়া হালাল করে দেয়া হয়েছে। ১১২ যেখানে তোমরা অবস্থান করবে সেখানে তা খেতে পারো এবং কাফেলার জন্য পাথেয় হিসেবে নিয়ে যেতেও পার। তবে যতক্ষণ তোমরা ইহরাম বাঁধা অবস্থায় থাকো ততক্ষণ তোমাদের জন্য স্থলভাগের শিকার হারাম করে দেয়া হয়েছে। কাজেই আল্লাহর নাফরমানী করা থেকে দূরে থাকো। তোমাদের সবাইকে ঘেরাও করে তাঁর সামনে হাযির করা হবে। তাফহীমুল কুরআন

তোমাদের জন্য সমুদ্রের শিকার ও তার খাদ্য হালাল করা হয়েছে, যাতে তা তোমাদের ও কাফেলার জন্য ভোগের উপকরণ হয়। আর তোমরা যতক্ষণ ইহরাম অবস্থায় থাক, তোমাদের জন্য স্থলের শিকার হারাম করা হয়েছে এবং আল্লাহকে ভয় করে চলো, যার কাছে তোমাদের সকলকে নিয়ে একত্র করা হবে।মুফতী তাকী উসমানী

তোমাদের জন্য সামুদ্রিক শিকার ধরা ও খাওয়া হালাল করা হয়েছে তোমাদের ও মুসাফিরদের উপকারের জন্য, আর স্থলচর শিকার ধরা তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে যতক্ষণ তোমরা ইহ্রাম অবস্থায় থাক; আর আল্লাহকে ভয় কর, যাঁর সমীপে তোমাদেরকে একত্রিত করা হবে।মুজিবুর রহমান

তোমাদের জন্য সমুদ্রের শিকার ও সুমুদ্রের খাদ্য হালাল করা হয়েছে তোমাদের উপকারার্থে এবং তোমাদের এহরামকারীদের জন্যে হারাম করা হয়েছে স্থল শিকার যতক্ষণ এহরাম অবস্থায় থাক। আল্লাহকে ভয় কর, যার কাছে তোমরা একত্রিত হবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তোমাদের জন্যে সমুদ্রের শিকার ও তা ভোগ হালাল করা হয়েছে, তোমাদের ও পর্যটকদের ভোগের জন্যে। তোমরা যতক্ষণ ইহরামে থাকবে ততক্ষণ স্থলের শিকার তোমাদের জন্যে হারাম। তোমরা ভয় কর আল্লাহ্কে, যাঁহার নিকট তোমাদেরকে একত্র করা হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে সমুদ্রের শিকার ও তার খাদ্য; তোমাদের ও মুসাফিরদের ভোগের জন্য। আর স্থলের শিকার তোমাদের উপর হারাম করা হয়েছে যতক্ষণ তোমরা ইহরাম অবস্থায় থাক। আর তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর, যার দিকে তোমাদেরকে একত্র করা হবে।আল-বায়ান

সমুদ্রের শিকার ও তা ভক্ষণ তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে, তোমাদের আর সফরকারীদের ভোগের জন্য। ইহরাম অবস্থায় থাকা পর্যন্ত স্থলের শিকার তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে। আল্লাহকে ভয় কর যাঁর কাছে তোমাদেরকে একত্রিত করা হবে।তাইসিরুল

তোমাদের জন্য বৈধ জলের শিকার আর তার খাদ্য তোমাদের জন্য ও পর্যটকদের জন্য উপকরণ, আর তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ ডাঙায় শিকার যে সময়ে তোমরা হারামে থাকো। আর ভয়শ্রদ্ধা করো আল্লাহ্‌কে, যাঁর কাছে তোমাদের একত্রিত করা হচ্ছে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১১২

যেহেতু সামূদ্রিক সফরে অনেক সময় পাথেয় শেষ হয়ে যায় এবং আহার সংগ্রহের জন্য জলজ প্রাণী শিকার করা ছাড়া আর কোন পথ থাকে না, তাই সামূদ্রিক শিকার হালাল করা হয়েছে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৯৬. তোমাদের জন্য সমুদ্রের শিকার ও তা খাওয়া হালাল করা হয়েছে, তোমাদের ও পর্যটকদের ভোগের জন্য। তোমরা যতক্ষণ ইহরামে থাকবে ততক্ষণ স্থলের শিকার তোমাদের জন্য হারাম। আর তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর, যার কাছে তোমাদেরকে একত্র করা হবে।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৯৬) তোমাদের জন্য সমুদ্রের শিকার ও তার খাদ্য ভক্ষণ বৈধ করা হয়েছে;(1) তোমাদের ও মুসাফিরদের ভোগের জন্য। আর তোমরা যতক্ষণ ইহরামে থাকবে, ততক্ষণ স্থলের শিকার তোমাদের জন্য অবৈধ করা হয়েছে। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, যাঁর নিকট তোমাদেরকে একত্র করা হবে।

(1) صيد (শিকার) থেকে উদ্দেশ্য হচ্ছে; জীবিত প্রাণী। আর طعامه (খাদ্য) থেকে উদ্দেশ্য হচ্ছে; মৃত (মাছ ইত্যাদি) যাকে সমুদ্র, নদী বা পুকুর কিনারায় নিক্ষেপ করে অথবা যা পানির উপর ভাসে। যেমন হাদীসে পরিষ্কারভাবে বর্ণিত হয়েছে, সমুদ্রের মৃত (প্রাণী খাওয়া) হালাল বা বৈধ।

(বিস্তারিত জানার জন্য তাফসীরে ইবনে কাসীর ও নাইনুল আওতার ইত্যাদি দেখুন।)