وَرَفَعۡنَا فَوۡقَهُمُ ٱلطُّورَ بِمِيثَٰقِهِمۡ وَقُلۡنَا لَهُمُ ٱدۡخُلُواْ ٱلۡبَابَ سُجَّدٗا وَقُلۡنَا لَهُمۡ لَا تَعۡدُواْ فِي ٱلسَّبۡتِ وَأَخَذۡنَا مِنۡهُم مِّيثَٰقًا غَلِيظٗا

ওয়া রফা‘না-ফাওকাহুমুততূর বিমীছা-কিহিম ওয়া কুলনা-লাহুমুদখুলুলবা-বা সুজ্জাদাওঁ ওয়া কুলনা-লাহুম লা-তা‘দূফিছছাবতি ওয়া আখাযনা-মিনহুম মীছা-কান গালীজা-।উচ্চারণ

এবং তূর পাহাড়ে তাদের ওপর উঠিয়ে তাদের থেকে (এই ফরমানে আনুগত্যের) অঙ্গীকার নিয়েছি। ১৮৪ আমি তাদেরকে হুকুম দিয়েছি, সিজ্‌দানত হয়ে দরজার মধ্যে প্রবেশ করো। ১৮৫ আমি তাদেরকে বলেছি, শনিবারের বিধান লংঘন করো না এবং এর সপক্ষে তাদের থেকে পাকাপোক্ত অঙ্গীকার নিয়েছি। ১৮৬ তাফহীমুল কুরআন

আমি তূর পাহাড়কে তাদের উপর তুলে ধরে তাদের থেকে প্রতিশ্রুতি নিয়েছিলাম এবং আমি তাদেরকে বলেছিলাম, তোমরা (নগরের) দরজা দিয়ে নতশিরে প্রবেশ কর এবং তাদেরকে বলেছিলাম, তোমরা শনিবারে সীমালংঘন করো না। #%১০৫%# আর আমি তাদের থেকে দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়েছিলাম।মুফতী তাকী উসমানী

এবং আমি তাদের প্রতিশ্রুতির জন্য তাদের উপর তূর পর্বত সমুচ্চ করেছিলাম এবং তাদেরকে বলেছিলাম অবনত শিরে দ্বারে প্রবেশ কর। এবং তাদেরকে আরও বলেছিলাম, শনিবারের সীমা অতিক্রম করনা। এভাবে তাদের নিকট হতে কঠোর প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করেছিলাম।মুজিবুর রহমান

আর তাদের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি নেবার উদ্দেশ্যে আমি তাদের উপর তূর পর্বতকে তুলে ধরেছিলাম এবং তাদেরকে বলেছিলাম, অবনত মস্তকে দরজায় ঢোক। আর বলেছিলাম, শনিবার দিন সীমালংঘন করো না। এভাবে তাদের কাছ থেকে দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়েছিলাম।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তাদের অঙ্গীকারের জন্যে ‘তূর’ পর্বতকে আমি তাদের ঊর্ধ্বে উত্তোলন করেছিলাম আর তাদেরকে বলেছিলাম, ‘নতশিরে দ্বার দিয়ে প্রবেশ কর।’ তাদেরকে আরও বলেছিলাম, ‘শনিবার সম্পর্কে’ সীমালংঘন কর না, এবং তাদের নিকট হতে দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়েছিলাম। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তাদের অঙ্গীকার গ্রহণের জন্য তূরকে তাদের উপর তুলে ধরেছিলাম এবং তাদেরকে বলেছিলাম, ‘দরজায় প্রবেশ কর অবনত হয়ে’। তাদেরকে আমি আরও বলেছিলাম, ‘শনিবারে সীমালঙ্ঘন করো না’ এবং আমি তাদের কাছ থেকে দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়েছিলাম।আল-বায়ান

তাদের নিকট হতে অঙ্গীকার গ্রহণের জন্য আমি তূর পাহাড়কে তাদের ঊর্ধ্বে তুলে ধরেছিলাম, আর তাদেরকে বলেছিলাম- অবনত মস্তকে (নগর) দ্বারে প্রবেশ কর আর তাদেরকে বলেছিলাম শনিবারের আইন ভঙ্গ করো না, আর তাদের নিকট থেকে নিয়েছিলাম পাকা প্রতিশ্রুতি।তাইসিরুল

কিন্তু তাদের অঙ্গীকার তাদের ভেঙ্গে দেবার ফলে, আর আল্লাহ্‌র নির্দেশের প্রতি তাদের অবিশ্বাসের জন্যে, আর নবীগণকে না- হক্‌ভাবে তাদের হত্যা করতে যাবার জন্যে, আর তাদের বলার জন্য -- "আমাদের হৃদয় হ’ল গেলাফ।" না, আল্লাহ্ তাদের উপরে সীল মেরে দিয়েছেন তাদের অবিশ্বাসের জন্যেচ তাই তারা ঈমান আনে না অল্প ছাড়া, --মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৮৪

‘সুস্পষ্ট ফরমান’ বলতে হযরত মূসা আলাইহিস সালামকে কাঠের তখতির ওপর যে বিধান লিখে দেয়া হয়েছিল তাই বুঝানো হয়েছে। সামনের দিকে সূরা আ'রাফের ১৭ রুকূ’তে এ সম্পর্কিত আরো বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আর ‘প্রতিশ্রুতি’ বলতে সেই জোরদার শপথকে বুঝানো হয়েছে যা তূর পাহাড়ের পাদদেশে বনী ইসরাঈলদের প্রতিনিধিদের থেকে নেয়া হয়েছিল। সূরা বাকারার ৬৩ আয়াতে ইতিপূর্বে এ সম্পর্কে আলোচনা এসে গেছে এবং আরাফের ১৭১ আয়াতে আবার এর উল্লেখ আসবে।

১৮৫

সূরা বাকারার ৫৮-৫৯ আয়াত ও ৭৫ নম্বর টীকা দ্রষ্টব্য।

১৮৬

সূরা বাকার ৬৫ আয়াত এবং ৮২ ও ৮৩ নম্বর টীকা দ্রষ্টব্য।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

এসব ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ সূরা বাকারার ২ : ৫১ থেকে ২ : ৬৬ নং আয়াত ও তার টীকায় গত হয়েছে।

তাফসীরে জাকারিয়া

১৫৪. আর তাদের অঙ্গীকার গ্রহণের জন্য ‘তুর’ পর্বতকে আমরা তাদের উপর উত্তোলন করেছিলাম এবং তাদেরকে বলেছিলাম, নত শিরে দরজা দিয়ে প্রবেশ কর(১)। আর আমরা তাদেরকে আরও বলেছিলাম, শনিবারে সীমালংঘন করো না; এবং আমরা তাদের কাছ থেকে দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়েছিলাম।

(১) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বনী ইসরাঈলকে বলা হয়েছিল যে, তোমরা (প্রস্তাবিত শহরে) সিজদারত অবস্থায় প্রবেশ কর এবং বল, (হে আল্লাহ!) আমাদেরকে ক্ষমা করে দিন। তারা তা পরিবর্তন (সিজদারত অবস্থায় প্রবেশ না করে) নিতম্বের উপর ভর করে এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন এর পরিবর্তে যবের দানা চাই বলতে বলতে প্রবেশ করল। (বুখারীঃ ৩৪০৩)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১৫৪) আর তাদের অঙ্গীকার নেবার সময় তূর পর্বতকে তাদের উপর উচ্চ করে ধরেছিলাম এবং তাদেরকে বলেছিলাম, ‘নতশিরে (নগরের) দ্বার প্রবেশ কর’ এবং তাদেরকে বলেছিলাম, ‘শনিবারে (বিশ্রামের দিন মাছ ধরে) সীমালংঘন করো না’ এবং তাদের নিকট থেকে দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়েছিলাম।