فَمَن يَعۡمَلۡ مِثۡقَالَ ذَرَّةٍ خَيۡرٗا يَرَهُۥ

ফামাইঁ ইয়া‘মাল মিছক-লা যাররতিন খাইরইঁ ইয়ারহ।উচ্চারণ

তারপর যে অতি অল্প পরিমাণ ভালো কাজ করবে সে তা দেখে নেবে তাফহীমুল কুরআন

সুতরাং কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করে থাকলে সে তা দেখতে পাবেমুফতী তাকী উসমানী

কেহ অণু পরিমাণ সৎ কাজ করলে তাও দেখতে পাবে।মুজিবুর রহমান

অতঃপর কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা দেখতে পাবেমাওলানা মুহিউদ্দিন খান

কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে সে তা দেখবে ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব, কেউ অণু পরিমাণ ভালকাজ করলে তা সে দেখবে,আল-বায়ান

অতএব কেউ অণু পরিমাণও সৎ কাজ করলে সে তা দেখবে,তাইসিরুল

তখন যে কেউ এক অণু-পরিমাণ সৎকাজ করেছে সে তা দেখতে পাবে;মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৭. কেউ অণু পরিমাণ সৎকাজ করলে সে তা দেখবে।(১)

(১) এ আয়াতে خير বলে শরীয়তসম্মত সৎকর্ম বোঝানো হয়েছে; যা ঈমানের সাথে সম্পাদিত হয়ে থাকে। কেননা, ঈমান ব্যতীত কোন সৎকর্মই আল্লাহর কাছে সৎকর্ম নয়। কুফর অবস্থায় কৃত সৎকর্ম আখেরাতে ধর্তব্য হবে না যদিও দুনিয়াতে তার প্রতিদান দেয়া হয়। তাই এ আয়াতকে এ বিষয়ের প্রমাণস্বরূপ পেশ করা হয় যে, যার মধ্যে অণু পরিমাণ ঈমান থাকবে, তাকে অবশেষে জাহান্নাম থেকে বের করে নেয়া হবে। কেননা, এ আয়াতের ওয়াদা অনুযায়ী প্রত্যেকের সৎকর্মের ফল আখেরাতে পাওয়া জরুরী। কোন সৎকর্ম না থাকলেও স্বয়ং ঈমানই একটি বিরাট সৎকর্ম বলে বিবেচিত হবে। ফলে মুমিন ব্যক্তি যতবড় গোনাহগারই হোক, চিরকাল জাহান্নামে থাকবে না। কিন্তু কাফের ব্যক্তি দুনিয়াতে কোন সৎকর্ম করে থাকলে ঈমানের অভাবে তা পণ্ডশ্রম মাত্র। তাই আখেরাতে তার কোন সৎকর্মই থাকবে না।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

৭। সুতরাং কেউ অণু পরিমাণ ভালো কাজ করলে, সে তা দেখতে পাবে।(1)

(1) অতএব সে তাতে আনন্দিত হবে।