وَوَضَعۡنَا عَنكَ وِزۡرَكَ

ওয়া ওয়াদা‘না-‘আনকা বিঝরকউচ্চারণ

আমি তোমার ওপর থেকে ভারী বোঝা নামিয়ে দিয়েছি, তাফহীমুল কুরআন

এবং আমি তোমার থেকে অপসারণ করেছি সেই ভারমুফতী তাকী উসমানী

আমি তোমা হতে অপসারণ করেছি তোমার সেই ভার –মুজিবুর রহমান

আমি লাঘব করেছি আপনার বোঝা,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আমি অপসারণ করেছি তোমার ভার, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আমি নামিয়ে দিয়েছি তোমার থেকে তোমার বোঝা,আল-বায়ান

আর আমি তোমার হতে সরিয়ে দিয়েছি (সমাজের অনাচার, অশ্লীলতা ও পঙ্কিলতা দেখে তোমার অন্তরে জেগে উঠা দুঃখ, বেদনা, উদ্বেগ ও অস্থিরতার) ভার,তাইসিরুল

আর আমরা তোমার থেকে লাঘব করেছি তোমার ভার, --মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

২. আর আমরা অপসারণ করেছি আপনার ভার,

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

২। আমি তোমার উপর হতে অপসারণ করেছি তোমার সেই ভার; (1)

(1) এই ভার বা বোঝা নবুঅতের পূর্বে তাঁর চল্লিশ বছর বয়সকালের সাথে সম্পৃক্ত। এই জীবনে যদিও আল্লাহ তাঁকে গুনাহ থেকে বাঁচিয়ে রেখেছেন; সুতরাং তিনি কোন মূর্তির সামনে মাথা ঝুঁকাননি, কখনো মদ্য পান করেননি এবং এ ছাড়া অন্যান্য পাপাচরণ থেকেও তিনি সুদূরে ছিলেন। তবুও প্রসিদ্ধ অর্থে আল্লাহর ইবাদত ও আনুগত্য সম্পর্কে তিনি জানতেন না; আর না তিনি তা করেছেন। এই জন্য বিগত চল্লিশ বছরে ইবাদত ও আনুগত্য না করার বোঝ তাঁর হৃদয় ও মস্তিষ্কে সওয়ার ছিল; যা সত্যিকারে কোন বোঝ ছিল না। কিন্তু তাঁর অনুভূতি ও উপলব্ধি তা বোঝ বানিয়ে রেখেছিল। আল্লাহ তাআলা তাঁর সেই বোঝকে নামিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করে তাঁর প্রতি অনুগ্রহ করলেন। এটা {لِيَغْفِرَ لَكَ اللهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِكَ وَمَا تَأَخَّرَ} আয়াতের অর্থের মত। (সূরা ফাত্হ ২ আয়াত)

কোন কোন আলেমগণ বলেন, এটা নবুঅতের বোঝ ছিল যেটাকে আল্লাহ হালকা করে দিলেন। অর্থাৎ, আল্লাহ এই রাস্তায় দুঃখ-কষ্ট সহ্য করার ব্যাপারে তাঁর উৎসাহ বৃদ্ধি এবং দাওয়াত ও তাবলীগের কাজে সরলতা সৃষ্টি করলেন।