وَكَذَّبَ بِٱلۡحُسۡنَىٰ

ওয়া কাযযাবা বিল হুছনা-।উচ্চারণ

এবং সৎবৃত্তিকে মিথ্যা গণ্য করেছে, তাফহীমুল কুরআন

এবং সর্বোত্তম বিষয়কে প্রত্যাখ্যান করল।মুফতী তাকী উসমানী

আর যা উত্তম তা অস্বীকার করলে –মুজিবুর রহমান

এবং উত্তম বিষয়কে মিথ্যা মনে করে,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আর যা উত্তম তা অস্বীকার করলে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর উত্তমকে মিথ্যা বলে মনে করেছে,আল-বায়ান

আর যা উত্তম তা অমান্য করে,তাইসিরুল

এবং সুষ্ঠু-সুন্দর বিষয়ে মিথ্যারোপ করে,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

এটি দ্বিতীয় ধরনের মানসিক প্রচেষ্টা। প্রথম ধরনের প্রচেষ্টাটির সাথে প্রতি পদে পদে রয়েছে এর অমিল। কৃপণতা মানে শুধুমাত্র প্রচলিত অর্থে যাকে কৃপণতা বলা হয় তা নয়। অর্থাৎ এক একটি পয়সা গুণে গুণে রাখা, খরচ না করা, না নিজের জন্য না নিজের ছেলেমেয়ের জন্য। বরং এখানে কৃপণতা বলতে আল্লাহর পথে এবং নেকী ও কল্যাণমূলক কাজে অর্থ ব্যয় না করা বুঝাচ্ছে। এদিক দিয়ে বিচার করলে এমন ব্যক্তিকেও কৃপণ বলা যায়, যে নিজের জন্য, নিজের আরাম-আয়েশ ও বিলাস-ব্যাসনের স্বার্থে এবং নিজের ইচ্ছামতো খুশী ও আনন্দ বিহারে দু’হাতে টাকা উড়ায় কিন্তু কোন ভালো কাজে তার পকেট থেকে একটি পয়সাও বের হয় না। অথবা কখনো বের হলেও তার পেছনে থাকে এর বিনিময়ে দুনিয়ার খ্যাতি, যশ, শাসকদের নৈকট্য লাভ বা অন্য কোন রকমের পার্থিব স্বার্থ উদ্ধার। বেপরোয়া হয়ে যাওয়ার অর্থ দুনিয়ার বৈষয়িক লাভ ও স্বার্থকে নিজের যাবতীয় প্রচেষ্টা ও পরিশ্রমের লক্ষ্যে পরিণত করা এবং আল্লাহর ব্যাপারে সম্পূর্ণ উদাসীন হয়ে যাওয়া। কোন্ কাজে আল্লাহ‌ খুশী হন এবং কোন্ কাজে নাখোশ হন তার কোন তোয়াক্কা না করা। আর সৎবৃত্তিকে মিথ্যা গণ্য করার মানে হচ্ছে, সৎকাজকে তার সকল বিস্তারিত আকারে সত্য বলে মেনে না নেয়া এখানে এর ব্যাখ্যার কোন প্রয়োজন নেই। কারণ ইতিপূর্বে সৎবৃত্তিকে সত্য বলে মেনে নেয়ার বিষয়টি আমি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৯. আর যা উত্তম তাতে মিথ্যারোপ করলে,

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

৯। আর সৎ বিষয়কে মিথ্যা জ্ঞান করে, (1)

(1) অথবা আখেরাতের বদলা এবং হিসাব-নিকাশকে অস্বীকার করে।