লা-তাছমা‘উ ফীহা-লা-গিয়াহ।উচ্চারণ
সেখানে কোন বাজে কথা শুনবে না। ৫ তাফহীমুল কুরআন
যেখানে তারা কোন নিরর্থক কথা শুনবে না।মুফতী তাকী উসমানী
সেখানে তারা অবান্তর বাক্য শুনবেনা।মুজিবুর রহমান
তথায় শুনবে না কোন অসার কথাবার্তা।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
সেখানে তারা অসার বাক্য শুনবে না, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সেখানে তারা শুনবে না কোন অসার বাক্য।আল-বায়ান
সেখানে শুনবে না কোন অনর্থক কথাবার্তা,তাইসিরুল
সেখানে তুমি শুনবে না কোনো বাজে কথা।মাওলানা জহুরুল হক
৫
এটিকেই কুরআনের বিভিন্ন স্থানে জান্নাতের নিয়ামতের মধ্যে একটি বড় নিয়ামত হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। (ব্যাখ্যার জন্য দেখুন তাফহীমুল কুরআন, সূরা মারয়াম ৩৮ টীকা, আত্তুর ১৮ টীকা, আল ওয়াক্বিয়াহ ১৩ টীকা এবং আন নিসা ২১ টীকা)
১১. সেখানে তারা অসার বাক্য শুনবে না(১),
(১) অর্থাৎ জান্নাতে জান্নাতীরা কোন আসার ও মর্মম্ভদ কথাবার্তা শুনতে পাবে না। মিথ্যা, কুফৱী কথাবার্তা, গালিগালাজ, অপবাদ ও পীড়াদায়ক কথাবার্তা সবই এর অন্তর্ভুক্ত। অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, (لَا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًا إِلَّا سَلَامًا وَلَهُمْ رِزْقُهُمْ فِيهَا بُكْرَةً وَعَشِيًّا) “সেখানে তারা ‘শান্তি’ ছাড়া কোন আসার বাক্য শুনবে না এবং সেখানে সকালসন্ধ্যা তাদের জন্য থাকবে জীবনোপকরণ।” (সূরা মারইয়াম: ৬২) আরও এসেছে, (لَا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًا وَلَا تَأْثِيمًا) “সেখানে তারা শুনবে না কোন অসার বা পাপবাক্য”। (সূরা আল-ওয়াকি'আহ: ২৫) আরও বলা হয়েছে, (لَا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًا وَلَا كِذَّابًا) “সেখানে তারা শুনবে না অসার ও মিথ্যা বাক্য” (সূরা আন-নাবা: ৩৫) এ থেকে জানা গেল যে, দোষারোপ ও অশালীন কথাবার্তা খুবই পীড়াদায়ক। তাই জান্নাতীদের অবস্থায় একে গুরুত্ব সহকারে বর্ণনা করা হয়েছে।
১১। সেখানে তারা কোন অসার বাক্য শুনবে না।