ٱلَّذِي خَلَقَ فَسَوَّىٰ

আল্লাযী খালাকা ফাছওওয়া-।উচ্চারণ

যিনি সৃষ্টি করেছেন এবং সমতা কায়েম করেছেন। তাফহীমুল কুরআন

যিনি (সবকিছু) সৃষ্টি করেছেন ও সুগঠিত করেছেন।মুফতী তাকী উসমানী

যিনি সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর যথাযথভাবে সমন্বিত করেছেন,মুজিবুর রহমান

যিনি সৃষ্টি করেছেন ও সুবিন্যস্ত করেছেন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

যিনি সৃষ্টি করেন ও সুঠাম করেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যিনি সৃষ্টি করেন। অতঃপর সুসম করেন।আল-বায়ান

যিনি সৃষ্টি করেছেন অতঃপর করেছেন (দেহের প্রতিটি অঙ্গকে) সামঞ্জস্যপূর্ণ।তাইসিরুল

যিনি সৃষ্টি করেন, তারপর সুঠাম করেন,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

অর্থাৎ পৃথিবী থেকে আকাশ পর্যন্ত সমগ্র বিশ্ব-জাহানের প্রত্যেকটি জিনিস সৃষ্টি করেছেন। আর যে জিনিসটিই সৃষ্টি করেছেন তাকে সঠিক ও সুঠাম দেহ সৌষ্ঠব দান করেছেন। তার মধ্যে ভারসাম্য ও শক্তির অনুপাত সঠিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাকে এমন আকৃতি দান করেছেন যে, তার জন্য এর চেয়ে ভালো আকৃতির কল্পনাই করা যেতে পারে না। একথাটিকে সূরা আস সাজদায় নিম্নোক্তভাবে বলা হয়েছেঃ اَلَّزِيْآ اَحْسَنَ كُلَّ شَىْء خَاَقَةُ “তিনি প্রত্যেকটি জিনিসকে চমৎকার তৈরি করেছেন।” এভাবে দুনিয়ার প্রত্যেকটি জিনিসের যথোপযোগী ও যথা অনুপাতে সৃষ্টি হওয়াটাই একথা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, কোন এক মহাবিজ্ঞ স্রষ্টা এসব কিছু সৃষ্টি করেছেন। কোন আকস্মিক ঘটনাক্রমে অথবা বহু স্রষ্টার কর্মতৎপরতায় বিশ্ব-জাহানের এই অসংখ্য অংশের সৃষ্টিতে এ ধরনের সুষ্ঠ রুচিশীলতা এবং সামগ্রিকভাবে এদের সবার অংশের সম্মিলনে বিশ্ব-জাহানে এ ধরনের শোভা ও সৌন্দর্য সৃষ্টি হওয়া সম্ভবপর নয়।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

২. যিনি(১) সৃষ্টি করেন(২) অতঃপর সুঠাম করেন।(৩)

(১) এখানে মূলত: আল্লাহ্ তা'আলার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণার কারণ ও হেতুসমূহ বর্ণনা করা হচ্ছে। এ আয়াত এবং এর পরবর্তী কয়েকটি আয়াতে জগৎ সৃষ্টিতে আল্লাহর অপার রহস্য ও শক্তি সম্পর্কিত কতিপয় কর্মগত গুণাবলী বর্ণিত হয়েছে।

(২) অর্থাৎ সৃষ্টি করেছেন। কোন কিছুকে নাস্তি থেকে আস্তিতে আনয়ন করেছেন। কোন সৃষ্টির এ কাজ করার সাধ্য নেই; একমাত্র আল্লাহ্ তা'আলার অপার কুদরতই কোন পূর্ব-নমুনা ব্যতিরেকে যখন ইচ্ছা, যাকে ইচ্ছা নাস্তি থেকে আস্তিতে আনয়ন করে।

(৩) অর্থ সামঞ্জস্যপূর্ণ, মজবুত ও সুন্দর করেছেন। (সা’দী) অর্থাৎ তিনি সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। আর যে জিনিসটিই সৃষ্টি করেছেন তাকে সঠিক ও সুঠাম দেহসৌষ্ঠব দান করেছেন। তার মধ্যে ভারসাম্য ও শক্তির অনুপাত সঠিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাকে এমন আকৃতি দান করেছেন যে, তার জন্য এর চেয়ে ভালো আকৃতির কল্পনাই করা যেতে পারে না। একথাটিকে অন্যত্র বলা হয়েছে, “তিনি প্রত্যেকটি জিনিসকে চমৎকার তৈরি করেছেন।” (সুরা আস-সাজদাহ: ৭)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

২। যিনি সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর সুসমঞ্জস করেছেন। (1)

(1) এ ব্যাপারে দেখুন সূরা ইনফিত্বার ৭নং আয়াতের টীকা।