ওয়া ইযা-রআওহুম ক-লূইন্না হাউলাই লাদাললূন।উচ্চারণ
আর তাদেরকে দেখলে বলতো, এরা হচ্ছে পথভ্রষ্ট। ১৩ তাফহীমুল কুরআন
এবং যখন তাদেরকে (অর্থাৎ মুমিনদেরকে) দেখত, তখন বলত, নিশ্চয়ই এরা পথভ্রষ্ট।মুফতী তাকী উসমানী
এবং যখন তাদেরকে দেখত তখন বলতঃ এরাইতো পথভ্রষ্ট।মুজিবুর রহমান
আর যখন তারা বিশ্বাসীদেরকে দেখত, তখন বলত, নিশ্চয় এরা বিভ্রান্ত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং যখন এদেরকে দেখিত তখন বলত, ‘এরাই তো পথভ্রষ্ট।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যখন তারা মুমিনদেরকে দেখত তখন বলত, ‘নিশ্চয় এরা পথভ্রষ্ট’।আল-বায়ান
আর তারা যখন মু’মিনদেরকে দেখত তখন বলত, ‘এরা তো অবশ্যই গুমরাহ্।’তাইসিরুল
আর যখন তারা তাদের দেখত তখন বলতো -- "নিশ্চয় এরাই তো পথভ্রষ্ট।"মাওলানা জহুরুল হক
১৩
অর্থাৎ এরা বুদ্ধিভ্রষ্ট হয়ে গেছে। মুহাম্মাদ ﷺ এদেরকে জান্নাত ও জাহান্নামের চক্করে ফেলে দিয়েছেন। ফলে এরা নিজেরা নিজেদেরকে দুনিয়ার লাভ স্বার্থ ও ভোগ-বিলাসিতা থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে এবং সব রকমের আশঙ্কা ও বিপদ আপদের মুখোমুখি হয়েছে। যা কিছু এদের সামনে উপস্থিত আছে তা কেবল এ অনিশ্চিত আশায় ত্যাগ করছে যে, এদের সাথে মৃত্যুর পরে কি এক জান্নাত দেবার ওয়াদা করা হয়েছে, আর পরবর্তী জগতে নাকি কোন জাহান্নাম হবে, এদেরকে তার আযাবের ভয় দেখানো হয়েছে এবং তার ফলেই এরা আজ এ দুনিয়ায় সবকিছু কষ্ট বরদাশ্ত করে যাচ্ছে।
৩২. আর যখন মুমিনদেরকে দেখত তখন বলত, নিশ্চয় এরা পথভ্ৰষ্ট।(১)
(১) অর্থাৎ এরা বুদ্ধিভ্রষ্ট হয়ে গেছে। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এদেরকে জান্নাত ও জাহান্নামের চক্করে ফেলে দিয়েছেন। ফলে এরা নিজেরা নিজেদেরকে দুনিয়ার লাভ, স্বাৰ্থ ও ভোগ-বিলাসিতা থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে এবং সব রকমের আশংকা ও বিপদ আপদের মুখোমুখি হয়েছে। (ফাতহুল কাদীর) যা কিছু এদের সামনে উপস্থিত আছে তা কেবল এ অনিশ্চিত আশায় ত্যাগ করছে যে, এদের সাথে মৃত্যুর পরে কি এক জান্নাত দেবার ওয়াদা করা হয়েছে, আর পরবর্তী জগতে নাকি কোন জাহান্নাম হবে, এদেরকে তার আযাবের ভয় দেখানো হয়েছে এবং তার ফলেই এরা আজ এ দুনিয়ায় সবকিছু কষ্ট বরদাশত করে যাচ্ছে। এভাবে যুগে যুগে মুমিনদেরকে অপমানজনক কথা সহ্য করতে হয়েছে। বর্তমানেও কেউ দ্বীনদার হলে তার সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করতে শোনা যায়। (উসাইমীন, তাফসীরুল কুরআনিল আযীম)
৩২। এবং যখন তাদেরকে দেখত, তখন বলত, এরাই তো পথভ্রষ্ট। (1)
(1) তওহীদবাদীরা মুশরিকদের দৃষ্টিতে এবং ঈমানদাররা কাফেরদের দৃষ্টিতে ভ্রষ্ট বলে পরিচিত। এই অবস্থা আজও বিদ্যমান রয়েছে। ভ্রষ্ট বাতিলপন্থীরা নিজেদেরকে হকপন্থী ভাবে এবং আসল হকপন্থীদেরকে ভ্রষ্ট মনে করে। এমনকি পরিপূর্ণরূপে বাতিল ফির্কাও নিজেদের ছাড়া কাউকে মু’মিন বলে না এবং ভাবেও না। আল্লাহ তাআলা তাদেরকে হিদায়াত করুন।